শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

তাহিরপুরে ভোট না দেওয়ায় হামলা, আহত ৪

  • প্রকাশের সময় : ০৮/০২/২০২২ ০৭:৪৯:১৬
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
8

তাহিরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার অভিযোগ তুলে পরাজিত এক সদস্য প্রার্থীর লোকজনের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত নয়টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও গ্রামে নির্বাচনী ফলাফলের পর এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হামলার ঘটনা সরেজমিনে দেখতে সেখানে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান কবির, সহকারি কমিশনার ভূমি মো. আলা উদ্দিন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ তরফদার, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি রমেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি সুভাষ পুরকায়স্থ, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আহবায়ক মিলন তালুকদার প্রমুখ।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ তরফদার বলেন, মারধরের ঘটনা সত্য। পুলিশ রাতেই সেখানে গিয়েছিল। সবার সঙ্গে কথা বলেছে। এঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।’

গ্রামের যুবক ইসলাম উদ্দিন, ভোট শেষে রাত নয়টার দিকে পরাজিত সদস্য প্রার্থী রসুলপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের পক্ষের লোকজন টুকেরগাঁও গ্রামের সুকেশ বর্মণের বাড়িতে হামলা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টুকেরগাঁও গ্রামটি বড়দল দক্ষিণ ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পড়েছে। গতকাল ভোটে এই ওয়ার্ডে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন টাকাটুকিয়া গ্রামে মো. জহুর আলম। ভোট শেষে রাত নয়টার দিকে পরাজিত সদস্য প্রার্থী রসুলপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের পক্ষের লোকজন টুকেরগাঁও গ্রামের সুকেশ বর্মণের বাড়িতে যান।

এসময় তাঁরা ভোট না দেওয়ার অভিযোগ তুলে সুকেশ বর্মণকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা ওই পরিবারের লোকজনকে মারধর করেন। এতে সুকেশ বর্মণ (৪৫), তাঁর স্ত্রী কেলন রানী বর্মণ (৩৫), ছেলে শিপন বর্মণ (১৭) ও রিতুরাজ বর্মণ (২৬) আহত হন।

ওই পরিবারের সদস্যরা বলেন, আলাউদ্দিনের লোকজন তাঁদের ভোট না দেওয়ার অভিযোগ তুলে বলে প্রথমে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা হামলার শিকার হন। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, বাড়ির পাশে থাকা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙা।

সদস্য প্রার্থী আলাউদ্দিন অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগের দিন থেকে অসুস্থ । আমার গ্রামের আরও তিনজন প্রার্থী ছিলেন, তাঁরাও হেরেছেন। এখন পরাজিত ও জয়ী প্রার্থী মিলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি এসবের কোনো কিছুই জানি না।


সিলেট প্রতিদিন / এমআরএম


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স