সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর (বিলেরপাড়) এলাকার বাসিন্দা বৈঠার ছেলে ফারুক আহমদ মছরু উরফে মরিছ মুল্লাকে দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৩ জুলাই) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দ্রুত বিচার আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে দায়ের হওয়া মামলা নম্বর-৩-এ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার অভিযোগকারী টিকরবাড়ী, গোলাপগঞ্জ পৌরসভার টিকরবাড়ীর বাসিন্দা সেলিনা আক্তার।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ফারুক আহমদ মছরুর বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি, চাঁদা দাবি, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। ওই মামলায় আদালতে হাজিরা দিলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২০২৪ সালের আগস্টে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পূর্বে গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে ফারুক আহমদ মছরু উভয় পক্ষের কাছে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করতেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হতো। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর পুনরায় প্রকাশ্যে চলাফেরা শুরু করেন। বর্তমানে তার এ কাজের প্রধান সহযোগী ও অর্থদাতা হলেন ইতালি প্রবাসী বাঘার শরিফ উদ্দিন।
ফারুক আহমদ মছরুকে জেলহাজতে প্রেরণ করায় ধারাবহর গ্রামে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার ছেলে, মাদক ডিলার আফজলের বিরুদ্ধে ধারাবহরে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে এলাকার যুবকদের নেশাগ্রস্ত করার অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন ধরে ধারাবহর গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলমান রয়েছে।




প্রতিদিন ডেস্ক



