মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নামাটাই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল খুলনা টাইগার্সের জন্য। মাত্র ১২ রান তুলতেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটারকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়া খুলনাকে সম্মানজনক পুঁজি এনে দিলেন সিকান্দার রাজা।
তার অর্ধশতকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে খুলনা টাইগার্সের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৯ রানে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় খুলনা। প্রথম ওভারে রুবেল হোসেনের বলে মাত্র ১ রান করে শুভাগতর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সৌম্য সরকার।
এর এক ওভার পরে জাকের আলী রান আউট হয়ে ফিরলেন দলীয় ১১ রানে। এরপরেই ধস খুলনার ব্যাটিং অর্ডারে। দলীয় ১২ রানের মাথায় আন্দ্রে ফ্লেচার ১২ বলে ৬ রান করে আরাফাত সানির বলে ফেরেন। পরের বলেই ইয়াসির আলী রাব্বীকে বোল্ড করেন সানি। এতেই মাত্র ১২ রানে চার টপ অর্ডার ব্যাটারকে হারায় খুলনা। পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন মাহেদি হাসানকে নিয়ে। তবে মুশফিকও বেশি সময় টিকতে পারেননি উইকেটে।
দলীয় ৩২ এবং ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় ওমারজাইয়ের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। মুশফিক ফেরার পর সিকান্দার রাজা খুলনার হাল ধরেন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন মাহেদি। কিন্তু দলীয় ৫৮ রানের মাথায় ১৮ বলে ১৭ রান করে মাহেদি ফিরলে আরও বিপদে পড়ে খুলনা।
অন্যরা যাওয়া আসার মিছিলে থাকলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন সিকান্দার রাজা। উইকেটে টিকে থাকেন ইনিংসের শেষ পর্যন্ত। ৫০ বলে ৬৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে খুলনাকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। দুর্দান্ত ইনিংসটি সিকান্দার সাজান ৫টি চার আর চারটি ছয়ে। তার সঙ্গে শেষ দিকে থিসারা পেরেরা করেন ১২ আর রুয়েল মিয়া ৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৯ রান করে খুলনা টাইগার্স।
ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি এবং আজমাতুল্লাহ ওমারজাই। একটি করে উইকেট নেন রুবেল হোসেন, ফজলহক ফারুকি এবং কায়েস আহমেদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড
খুলনা টাইগার্স: ২০ ওভার; ১২৯/৮; (ফ্লেচার ৬, সৌম্য ১, ইয়াসির ০, মুশফিক ১২, মাহেদি ১৭, সিকান্দার ৬৪, থিসারা ১২, রুয়েল ৮); (রুবেল ৪-০-২৬-১, ফাজলহক ৪-০-৩২-১, সানি ৩-১-১৫-২, ওমারজাই ৪-০-২৫-২, কায়েস ৩-০-১২-১, মাহমুদউল্লাহ ২-০-১৮-০)
টস: খুলনা টাইগার্স টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



