শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

সিলেটের নয়নাভিরাম স্টেডিয়ামে মুগ্ধ সিডন্স

  • প্রকাশের সময় : ০৮/০২/২০২২ ১১:২৫:২১
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
16

ভূমিকা ঠিক না হলেও বাংলাদেশের সাবেক কোচ জেমি সিডন্স নিজের কাজ করে যাচ্ছেন। খেলোয়াড়দের দেখতে নিয়মিত মাঠে আসছেন। বিপিএল এখন চলছে সিলেটে। ঢাকার পর সিলেট মাঠেও হাজির ব্যাটিং পরামর্শক হয়ে আসা এই কোচ।

তিনি সোমবার দুপুরে মাঠে আসেন। সঙ্গে ছিলেন নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও হাবিবুল বাশার সুমন। সিলেটে এবারই প্রথম পা পড়লো সিডন্সের।

১১ বছর আগে তিনি যখন বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পান, তখন অবশ্য সিলেট স্টেডিয়াম নির্মিত হয়নি। তাইতো নয়নাভিরাম স্টেডিয়ামে পা রেখেই মুগ্ধ হন। হসপিটালিটি বক্সে কিছুক্ষণ খেলা দেখার পর তাকে স্টেডিয়াম এলাকা ঘুরিয়ে দেখান হাবিবুল বাশার।

১ নম্বর স্টেডিয়ামের পেছনেই মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে নবনির্মিত ২ নম্বর স্টেডিয়াম। মাঠ, ড্রেসিংরুম, একাডেমি, আউটার নেট এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন, ‘মাঠটা সুন্দর। আশপাশের পরিবেশ মিলে খেলার আবহটা দারুণ। এখানে সব সুযোগ-সুবিধাও আছে। সব মিলিয়ে আমার ভালো লেগেছে।’

উপস্থিত সংবাদিকরা তার থেকে কোচিং নিয়ে দুয়েক কথা শুনতে বায়না ধরেছিলেন। এজন্য পিছন পিছন ঘুরছিল। কিন্তু সিডন্সের সাফ কথা, ‘আমি নিজেও আমার ভূমিকা সম্পর্কে অবগত নই। কি কথা বলবো? বোর্ডের কাছে জানতে পারবে।’

সিডন্স জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করবেন নাকি পাইপলাইনে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করবেন তা এখনও ঠিক হয়নি। ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পা রেখে পরদিন বিসিবির কয়েক পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেও তার ভূমিকা ঠিক হয়নি।

তবে একটি গাইডলাইন পেয়েছেন বলে জানালেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তার ভাষ্য, ‘ওকে (সিডন্স) আমরা একটা গাইডলাইন দিয়েছি যে আমাদের তিন ফরম্যাটে তিনটা দল। তো কে কে খেলে…অনেক খেলোয়াড়কে তো ও চিনে না। সে হিসেবে গাইডলাইন দেওয়া হচ্ছে যে কে কোন ফরম্যাটে খেলে কোথায় ব্যাটিং করে। আমাদের বোলাররা কেমন, তো সবকিছু নিয়ে ওকে কেবল একটা গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, যাতে যখন অনুশীলনে নামবে খুব সহজে সবার সম্পর্কে জেনে কাজটা করতে সুবিধা হয়।’

সিডন্স এর আগে ২০০৭ থেকে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাকিব-তামিমদের কোচ ছিলেন। ২০১১ বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর চাকরি হারান। তার অধীনে বাংলাদেশ ১৯ টেস্টের মধ্যে ২টি ও ৮৪ ওয়ানডের ৩১টি জিতেছে।

৮ টি-টোয়েন্টির একটিতেও জয় পায়নি। তবে ব্যাটিং কোচ হিসেবে তার দারুণ দক্ষতার কথা বরাবরই স্বীকার করে নেন মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিকরা।

তাদের মতে সিডন্স তাদের ব্যাটিং উন্নতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন সেই সময়ে। এবার তাদের পরামর্শেই ফেরানো হয়েছে ৫৭ বছর বয়সী কোচকে।


সিলেট প্রতিদিন / এমএ


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স