জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর আসন্ন বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠান উপলক্ষে এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে গত ৭ জুলাই টরন্টোর বাংলাদেশ সেন্টারে কমিউনিটির সম্মানিত মুরব্বি, বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এসোসিয়েশনের শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর পিকনিক ও অভিষেক অনুষ্ঠান কেবল একটি সাংগঠনিক আয়োজন নয়; এটি বৃহত্তর কমিউনিটির এক মিলনমেলা। তাই অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল, নিরাপদ, পরিবারবান্ধব এবং সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
বক্তারা অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁরা পার্কের সকল নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করা, অতিথিদের যথাযথ অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন নিশ্চিত করা, যানবাহন ও পার্কিং ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা, শিশু ও পরিবারের জন্য নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অভিষেক পর্বের কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও জরুরি সেবার প্রস্তুতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তাঁরা সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে অনুষ্ঠানকে সফল করার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, এই আয়োজনের সফলতা কার্যনির্বাহী কমিটির পাশাপাশি সমগ্র কমিউনিটির আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের ওপর নির্ভরশীল।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর বর্তমান সভাপতি এবাদ চৌধুরী, নির্বাহী সহ-সভাপতি মেহেদী মারুফ, সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহমদ, এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি,সাদ চৌধুরী, মিজান চৌধুরী, মাহবুব চৌধুরী রনি, কমিউনিটির সম্মানিত মুরব্বি ইঞ্জিনিয়ার রেজাউর রহমান ,সুনামগঞ্জ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান, মৌলভীবাজার এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি সৈয়দ মাহবুব, মৌলভীবাজার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি লায়েকুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মুক্তা, হবিগঞ্জ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম আজাদ, গোলাপগঞ্জ এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি সাব্বির চৌধুরী লিটন, বিয়ানীবাজার এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি শরফুল ইসলাম, গোয়াইনঘাট এসোসিয়েশনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, কানাইঘাট এসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ছাতক এসোসিয়েশনের সভাপতি মিলাদ আহমদ, ফয়জুল চৌধুরী, জামাল হোসেন, দুলাল চৌধুরী, ইলিয়াস খান, মঈনুল ইসলাম, দুলাল ভৌমিক, আসমা আহমদ, শক্তি দেব, সুবেদুর রহমান মুন্না, খলিলুর রহমান, তানভীর চৌধুরী তারেক, আব্দুস সালাম এবং সাজলু লস্কর।
সভা সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পিকনিক কমিটির আহ্বায়ক মনসুর আহমদ। তাঁকে সহযোগিতা করেন এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ও পিকনিক কমিটির কো-কনভেনর আব্দুল কালাম বুরহান, সহ-প্রচার সম্পাদক ও পিকনিক কমিটির কো-কনভেনর লুৎফুর রহমান এবং যুব ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও পিকনিক কমিটির সদস্য সচিব গোলাম ইমরান সুমন।
এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আমজাদ আলী, তাহমিনা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী চৌধুরী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফয়সল আহমদ, প্রচার সম্পাদক আল আমিন, ক্রীড়া সম্পাদক নাহিদ আহমদ, সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক তানিম ইকবাল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউল ভূঁইয়া রিংকু, সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক পরিমিতা সেন তিন্নি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নুরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা মাকসুদা বেগম রিনু এবং নির্বাহী সদস্য মোকবুল হোসেন মঞ্জু, হোসেন আহমেদ লনি, রেজওয়ান চৌধুরী ও আবু জাহির শাকিব।
সভায় উপস্থিত মুরব্বি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতির প্রশংসা করেন এবং বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। তাঁরা অনুষ্ঠানকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে সিলেটি কমিউনিটির পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করবে।
সভা শেষে কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল সম্মানিত মুরব্বি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং শুভানুধ্যায়ীদের মূল্যবান মতামত, দিকনির্দেশনা ও উপস্থিতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে টরন্টো ও আশপাশে বসবাসরত সকল কমিউনিটি সদস্যকে পরিবার-পরিজনসহ আসন্ন পিকনিক ও অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এই মিলনমেলাকে সার্থক ও স্মরণীয় করে তোলার আহ্বান জানানো হয়।







