সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার আবুল কাশেম বাদশাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি পূর্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং দলটির স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাদশা তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন এবং কিছুদিন পর তিনি বাঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এমরান আহমেদ চৌধুরীর পক্ষে বাঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসাবে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের পরও বাদশার প্রভাব বিস্তারের ধরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং নতুন রাজনৈতিক অবস্থানের আড়ালে তিনি এলাকায় প্রভাব খাটানো, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পূর্বের বিরোধের জের ধরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন বলে দাবি উঠেছে।
একাধিক স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজনৈতিক অবস্থান ব্যবহার করে তিনি ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিরোধে হস্তক্ষেপ করছেন এবং তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “তিনি আগে এক দলে ছিলেন, এখন অন্য দলে গেছেন, কিন্তু আচরণে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এখনও প্রভাব খাটানো ও ভয় দেখানোর অভিযোগ শোনা যায়।”
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের পরও যদি এ ধরনের অভিযোগ অব্যাহত থাকে, তবে তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক। তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম বাদশার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।




প্রতিদিন ডেস্ক



