শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

জৈন্তাপুরে পৃথক অভিযানে আটক ৪ নারী কারাগারে

  • প্রকাশের সময় : ০৮/০৪/২০২৬ ১৫:০১:২২
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
51

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় অবৈধ সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে চার নারীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।


এর আগে সোমবার ( ৬ এপ্রিল) দুপুরে ডিবির হাওড় এলাকায় এবং একইদিন রাত সাড়ে ৯টায় ঘিলাতৈল সড়কের গৌরিশঙ্কর মসজিদের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।


ডিবির হাওড় সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৮ বিজিবি দুই নারীকে আটক করে। তারা হলেন—খুলনা জেলার তেরোখাদা উপজেলার খোলা নয়া বারোসাত গ্রামের মোসাঃ খাদিজা আক্তার (৩৭), পিতা মোঃ পাছু মোল্লা এবং নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার তালবেরি কুমরী গ্রামের মোসাঃ সুনিয়া আক্তার, পিতা সাইদ শেখ। তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে জানায় বিজিবি।


একইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় ঘিলাতৈল সড়কের গৌরিশঙ্কর মসজিদের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়রা দুই নারীকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন—নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার মাদারপাশা গ্রামের মোছাঃ নিলোফা (৪০), পিতা মৃত মোঃ মজিল শেখ এবং একই এলাকার মোসাঃ আংগুরা আক্তার (৩৭), পিতা দাউদ শেখ।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করলে স্থানীয়রা তাদের ১৯ বিজিবি (জৈন্তাপুর বিওপি)-এর সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।


১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জুবায়ের আনোয়ার পিএসসি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে আমাদের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।’


এ বিষয়ে ৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, ‘মানব পাচার ও অবৈধ পারাপার রোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আটককৃতদের কাছে কোনো বৈধ পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। সীমান্ত সুরক্ষায় আমাদের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


পরে আটক চার নারীকে জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণ করে।


জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘আটক চার নারীকে যথাযথ পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে তরুণ সমাজের এই সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’


সিলেট প্রতিদিন / এমএনআই


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স