বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

বানিয়াচংয়ে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

  • প্রকাশের সময় : ২২/০২/২০২২ ১২:০৬:৪৩
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
8

সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বানিয়াচং সুফিয়া-মতিন মহিলা কলেজ।

সোমবার (২১ শে ফেব্রুয়ারি) দিনের প্রথম প্রহরে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে বড় বাজার

শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মাধ্যমে কলেজের কর্মসূচি শুরু হয়।

পরবর্তীতে কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান আহমেদ ভূইয়া'র নেতৃত্বে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ শহীদ মিনারে সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

কলেজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান আহমেদ ভূইয়া'র  সভাপতিত্বে কলেজ হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারি অধ্যাপক ছালামত আলী খান ও প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান সরদার।

এসময় বক্তাগণ বলেন, ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ভাষা হবে একমাত্র উর্দু। জিন্নাহের এ কথা তখন কেউ মেনে নিতে পারেনি। বাঙালিরা নিজের ভাষা বাংলাকে রক্ষা করতে একতাবদ্ধ হয়। বাঙালিরা তখন দেখিয়ে দিয়েছিল যে নিজের জীবন দিয়ে হলেও বাংলা ভাষাকে রক্ষা করতে হবে। প্রতিবাদে তখন ঢাকায় ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। আস্তে আস্তে আন্দোলন তীব্র হয়। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি বাঙালি সর্বমহল থেকে আসে। সে সময় ছাত্র সমাজ সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন। ভাষা রক্ষা করতে ছাত্রদের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। 

১৯৫২ সালে মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষা করার লক্ষ্যে এ দেশে দামাল ছেলেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ভাষা আন্দোলনে। রফিক, সালাম ,বরকত, জাব্বারদের মতো দামাল ছেলেরা ভাষার বিনিময়ে প্রাণ দিয়েছিল বলেই আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি। 

কারন পৃথিবীতে একমাত্র বাঙালিরাই প্রাণ দিয়েছে ভাষার জন্য যা ইতিহাসে বিরল। 

ভাষা আন্দোলনে শহীদ আত্মার শান্তির জন্য আমাদের বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। তবেই শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে। শহীদদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের মায়ের ভাষা। তাই আমাদের উচিত শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। ভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা যে ভাষা পেয়েছি তার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে সব সময় বাংলার জন্য ,ভাষার জন্য কাজ করতে হবে। তবেই শহীদদের এ মহান ত্যাগ স্বার্থক হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি অধ্যাপক ফেরদৌসি রহমান, প্রভাষক দেবু ভট্টাচার্য্য, নিপেন্দ্র চন্দ্র, অনুপ কুমার দাস, জাকির হোসেন, হোসাইন আলী, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, নাজিয়া তাবাসসুম, সাদিয়া জোহরা, তাসলিমা আক্তার লাকি, লাতাকলু জুঁই, জাকিয়া আক্তার, বিনয় গোপ, শিব্বির আহমেদ, রুলি রায়, মফিকুল হোসেন রুবেলসহ শিক্ষার্থীবৃন্দ।


সিলেট প্রতিদিন / এসএএম


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স