সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

বিকাশে প্রতারণা: সাংবাদিক এনামুলের পর টার্গেট সাজলু - মশাহিদ

  • প্রকাশের সময় : ০৯/০২/২০২২ ০৮:৫৭:১৭
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
14

প্রতিদিন প্রতিবেদক :: একদিন আগে, গত সোমবার বিকাশ প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছিলেন সিলেট প্রতিদিন২৪ডটকম’র বার্তা সম্পাদক এনামুল কবীর। এবার প্রতারকদের লক্ষ্য ছিল সিলেট প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক সাজলু লস্কর ও স্টাফ রিপোর্টার মশাহিদ আলী। তবে এদের ক্ষেত্রে আর প্রতারক চক্রটি সফল হতে পারেনি।

গত সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ০১৮৬১৫৮৫৩১১ ও ০১৬৪৫৪৬৭১৬৬ নম্বর থেকে প্রথমে ভুল করে ১০ হাজার টাকা বিকাশে চলে গেছে বলে কাতর অনুনয় বিনয় করে আলাপ জুড়ে দেয়। পরে তার বিকাশ একাউন্ট বøক করা হয়েছে, অপর একজন বিকাশ থেকে কল দিয়ে ঠিক করে দিবে বলে দ্বিতীয় নম্বর থেকে কল ঠিক করে দেয়ার নাম করে কৌশলে একটা সংখ্যাকে আরেকটি সংখ্যা দিয়ে গুণ করার কথা বলে পিন নম্বর নিয়ে নেয়। তারপর তার একাউন্ট থেকে গয়েব হয়ে যায় ৪৮০ টাকা। বিষয়টি সিলেট মহনগর পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তাকে জানালে তিনি তাদের অবস্থান মাগুরার শ্রীপুরে বলে জানান। তবে এ ব্যাপারে পুলিশের কোন ভূমিকা এখনো দৃশ্যামান নয়।

বিষয়টি সিলেটের বিকাশ সেন্টারকে জানালে তারাও দুটি নম্বর রাখেন এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো তাদের কোন পদক্ষেপও দৃশ্যমান হয়নি।

বরং এনামুলের সাথে বিকাশে যাদের প্রায়ই লেনদেন হয় তাদেরকে লক্ষ্য করে এগুচ্ছে প্রতারক চক্রটি। তারা বুধবার সিলেট প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশ এবং এনটিভি ইউরোপের সিলেট প্রতিনিধি, সাজলু লস্করের নম্বরে কল দিয়ে একই কায়দায় প্রতারণার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

খবর আরও আছে। বুধভার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে সিলেট প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার মশাহিদ আলীর নম্বরেও প্রথমোক্ত নম্বর থেকে কল দিয়ে একই কায়দায় প্রতারণার চেষ্টা চালায় প্রতারক। এই নম্বরটি যে নামে উত্তোলন করা হয়েছে তার নাম বাবু জামান বলে মোবাইলের বিশেষ অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে জানা গেছে।

তবে তারা একই স্থানে স্থির নয়। সময়ে সময়ে স্থান পরিবর্তন করে তাদের প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

যেমন, তাদের মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে এসএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যা তাহের জানিয়েছিলেন প্রথম নম্বরটির অবস্থান ছিল মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায়। আর বুধবার বিকেলে স্টাফ রিপোর্টার মশাহিদ আলীকে তিনি জানান, প্রথম নম্বরটির অবস্থান ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলায়।

সিলেট প্রতিদিনের একজন কর্মী প্রতারিত হলেও অপর দু’জন বেঁচে গেছেন। তবে সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত আছেন কি? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সচেতন মহলে।

সিলেটের বিকাশ সেন্টার ঐ দুটি একাউন্ট বøক করার প্রতিশ্রæতি দিলেও ৪৮ ঘন্টা অতিক্রম হতে চললেও তারা তা করেননি এখনো।

এমন প্রশ্নও আসছে, বিকাশ কেবল টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দিয়েই তাদের দায়িত্ব আদায় করছে? সাধারণ মানুষের সম্পদ সুরক্ষায় তাদের গতি এত স্লো হলেতো প্রতারকদের রমারমা অবস্থাই থাকবে।


সিলেট প্রতিদিন / ইকে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স