সিলেট নগরীর বন্দরবাজার কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট এর স্থায়ী ব্যবসায়ীদের সাথে মালিক পক্ষের মতবিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে সিলেটের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে নগরীর বারুতখানাস্থ হোটেলে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব ও সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি মো. নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগর সেক্রেটারি মো: শাহজাহান আলী, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক চৌধুরী, চেম্বারের সাবেক পরিচালক আলীমুল এহসান চৌধুরী, ১৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মুজিবুর রহমান শওকত, আম্বরখানা বাজার কমিটির সহ সভাপতি আজিজ আহমদ, আল হামরা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: সামছুল আলম, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সহ সভাপতি আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যান পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, সিলেট জেলার সাংগঠনিক সচিব নিয়াজ মো: আজিজুল করিম, সমবায় মার্কেটের সভাপতি সোয়েব আহমদ, হক সুপার মার্কেটের সভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন, মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মো: আব্দুস সাত্তার, নয়াসড়ক বিজনেস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহমিদুল হাসান জাবেদ, সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি মো: লুৎফুর রহমান লিলু, দরগা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুর রহমান দুদু, মো: কয়ছর আলী, ছদরুল ইসলাম মাসুক, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মো: জাকারিয়া, সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সুমন, সিটি সুপার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো: আতাউর রহমান রজব, মো: ফয়সাল আহমদ, সিলেট জেলা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো: মনিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো: রাসেল আলী, রাজা জি সি স্কুল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: জাবেদ কাদির, হাসান মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: সাহেদ বক্স, লালদিঘী পুরাতন হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: শাজাহান আহমদ, সহ-সভাপতি আব্দুস সোবহান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সহ-সভাপতি হোসেন আহমদ, এলিগ্যন্ট শপিং মলের সাধারন সম্পাদক মো: আব্দুল কাদির, ফেডারেল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: জিয়াউর রহমান কাইয়ূম, মধুবন সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: মনজুর আহমদ, মোত্তালিব ভিলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: ফিরোজ উদ্দিন, সিলেট ট্রেড সেন্টার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আলেক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমদ, ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শোয়েব আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: মুহিবুর রহমান, সৈয়দ মিনহাজ উদ্দিন মুছা, মো: আবুল খায়ের মাহবুব, মো: জাহাঙ্গীর আলী, আব্দুস সালাম খান, আহমদ পাপ্পু, মো: আখতার হোসেইন, মো: সাহাব উদ্দিন, মো: রুহুল আমিন, মো: নদিম মিয়া, মো: সাইদুল ইসলাম, মো: রিয়াদ রহমান, সাব্বির আহমদ, রাসেল আলী, শাহান উদ্দিন নাজু, রিয়াজ আহমদ, মো: সানজু, মো: মোস্তাফিজুর রহমাম জাকির, সাকের আহমদ দুলাল, মো: তারেক মিয়া, কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিকদের মধ্যে জামিল আহমদ তাপাদার, মো: ইনামুল করিম চৌধুরী, মো: মিনহাজ, মো: ফয়েজ, আল আমিন আহমদ, আব্দুর রহিম বাদশা, আবিদ ফাহিম, আনোয়ারুল হক ও মো: সানাজ প্রমুখ। এছাড়াও এডভোকেট হাসান পাটওয়ারী রিপন ও এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেটের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের পক্ষে মো: ইনামুল করিম চৌধুরী বলেন, ১৯৯৯ সালে মসজিদ মার্কেট প্রতিষ্ঠার পর মার্কেট পরিচালনা দায়িত্বে থাকা তৎকালীন জেলা প্রশাসকের সাথে ব্যবসায়ীদের সাথে স্থায়ী চুক্তি হয়। যা অদ্যাবধি চলমান ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক মো: সরওয়ার আলম দায়িত্ব নেয়ার পর এই চুক্তি ব্যাপারে তিনি বিভিন্ন অজুহাত সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের ব্যাপাারে তৎপর হন। যার ফলশ্রুতিতে ব্যবসায়ীগণ বারবার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করলেও তিনি সময় সুযোগ দেন নি। তার অনুপস্থিতিতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা চুক্তির ব্যাপারে অবগত করেছিলাম। আমরা চুক্তির আলোকে নিয়ম মাফিক ভাড়া পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা গত ৯ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি চিঠি দিয়ে পবিত্র রমজানের পরে সবাই বসে এই ব্যাপারে আলোচনা করার কথা জানালে পরদিন ১০ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে আমাদের কাছে নোটিশ আসে যে আগামী তিনদিনের মধ্যে দোকানের মালামাল সরাতে হবে এবং দোকান ছেড়ে দিতে হবে। আমরাও এই নোটিশ পাওয়ার পর হাইকোর্টে রিট পিটিশন করি। মহামান্য হাইকোর্ট ১২ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে দুই মাসের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেন। এমতাবস্থায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৬ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে রাতের আধারে মার্কেটের দোকানগুলোকে সিলগালা করে ফেলেন। এমতাবস্থায় আমরা সাধারণ ব্যবসায়ীরা খুবই সংকটের মধ্যে দিনযাপন করছি। অবিলম্বে আমাদের এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করছি।
সভায় অন্যান্য বক্তাগণ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে একটি কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।




প্রতিদিন ডেস্ক



