সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে দোকান বরাদ্দে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র খুঁজে পেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো.আমিনুল হক। সরকারি কোষাগারে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে বাকি বিপুল পরিমাণ অর্থ একটি চক্র আত্মসাৎ করছে বলে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের বরাদ্দকৃত দোকানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এই চিত্র ফুটে ওঠে। এর প্রেক্ষিতে, দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের দোকান বরাদ্দ বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
স্টেডিয়ামের বরাদ্দকৃত দোকানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সরাসরি দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভাড়ার বিষয়ে খোঁজ নেন। ব্যবসায়ীরা তাকে জানান, প্রতিটি দোকানের জন্য তারা মাসিক ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া প্রদান করছেন।
অথচ জেলা স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের নথিপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি দোকান থেকে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে মাত্র ১২০০-১৫০০ টাকা। ভাড়ার এই বিশাল অংকের গরমিল দেখে প্রতিমন্ত্রী বিস্মিত হন। এতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, সরকারি কোষাগারে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে বাকি বিপুল পরিমাণ অর্থ একটি অসাধু চক্র আত্মসাৎ করছে।
এই অনিয়ম দেখে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সরকারি সম্পদের এমন অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে বরাদ্দ বাতিল এবং কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে, বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




প্রতিদিন ডেস্ক



