মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
এসএসসি পরীক্ষা

বিশ্বনাথে এক ভেন্যুতে ১৫৩ জনের মধ্যে একই স্কুলের ১১০ জন পরীক্ষার্থী!

  • প্রকাশের সময় : ২৭/০৪/২০২৫ ০৬:১৮:০৩
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
174

সিলেটের বিশ্বনাথে চলমান এসএসসি পরীক্ষার এক ভেন্যুতে পরীক্ষা দিচ্ছেন ১৫৩ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে ১১০ জন পরীক্ষার্থীই রয়েছেন হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের। আর বাকি ৪৩ জন শিক্ষার্থী হচ্ছেন দক্ষিণ বিশ্বনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী।


ভেন্যুটি হচ্ছে পৌর শহরের আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাত্র এ দুটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাই ওই ভেন্যুতে পরীক্ষা দিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন এক ভেন্যুতে ১৫৩ জনের মধ্যে একই স্কুলের ১১০জন পরীক্ষার্থী থাকা নিয়ম বহির্ভূত। 


এসএসসি পরীক্ষায় নিয়ম না থাকলেও রহস্যজনক ভাবে হল তত্ত্বাবধায়ক এভাবেই আসন নিব্যাস করেছেন। শুধু তাই নয়, অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ওই ভেন্যুতে নিজের স্কুলের পরীক্ষার্থী থাকা সত্যেও রহস্যজনক ভাবে দুটি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করেছেন হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দু’জন শিক্ষক।


গত ১০ এপ্রিল বাংলা পরীক্ষায় কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা সুমা রানী সাহা ও ১৫ এপ্রিল ইংরেজী পরীক্ষায় কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন একই স্কুলের সহকারি শিক্ষক রবিউল ইসলাম। এনিয়ে অনেক স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।


আরও পড়ুন: বিশ্বনাথে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অনিয়মের অভিযোগ


অভিযোগ রয়েছে নিজ স্কুলের পরীক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা দেয়ার জন্য একই ভেন্যুতে ওই দু’জন শিক্ষককে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।


জানতে চাইলে সহকারি শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, তাকে এই হলে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সত্য, তবে ট্যাগ অফিসার জানতে পেরে আমাকে হল থেকে বের করে দেন।


এবিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি স্বীকার করে হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা সুমা রানী সাহা বলেন, ওই পরীক্ষা কেন্দ্রতে যেহেতু আমার স্কুলের শিক্ষার্থী রয়েছে তাই আমি যেতে চাইনি। আমার স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক খাইরুল আলম ফকির জোর করে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রতে পাঠিয়েছেন বলে জানান।


তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক খাইরুল আলম ফকিরের ছেলে ওই সেন্টারে পরীক্ষার্থী থাকার কারণে তাকে ওই সেন্টারের দ্বায়িত্বে রাখা হয়নি।


অপরদিকে, সুমা রানী সাহার বক্তব্যের বিষয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক খাইরুল আলম ফকির বলেন, আমার এখানে শিক্ষক পাঠানোর কোন এখতিয়ার নেই, কোন কেন্দ্রে কোন শিক্ষক দ্বায়িত্ব পালন করবেন তা শুধুমাত্র সচিবই নির্ধারণ করেন।


সিলেট প্রতিদিন / এএ


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স
© All rights reserved © সিলেট প্রতিদিন ২৪
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি