গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীর পাড় ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারের মধ্যে নগদ ৯ হাজার টাকা, ৩ বান্ডেল ঢেউটিন ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
এছাড়াও বেসরকারি ও ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি পরিবার ১৫হাজার টাকা করে পেয়েছে।
এসময় গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিরন মিয়া, সাবেক পৌর কাউন্সিলর হেলালুজ্জামান হেলাল, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তানজিম আহাদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এব্যাপারে গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, নদীর পাড় ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী দুইদিনের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নদীর ভাঙ্গন রোধে কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনাক্রমে সকলকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসকের নিকট অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ করেই উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ফতেহপুর পূর্বপাড়া গ্রামে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গণ শুরু হয়। এতে পাশাপাশি পাঁচটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



