পবিত্র রজমানে মাসে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে গরুর মাংস। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও খুচরা বাজারে তা কার্যকর হচ্ছে না।
প্রতি কেজি গরুর মাংস কোথাও ৮০০ টাকা থেকে ১ হাজারা টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
শনিবার (২১ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ সুরমার রশিদপুর বাজারে দেখা যায়, দুটি দোকানের মধ্যে একটি মূল্য তালিকা টাঙানো হলেও অন্যটিতে টাঙানো নেই। বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকাচ্ছেন। হাড়সহ গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, হাড় ছাড়া (সলিড) মাংসের দাম ১০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
মোবারক মাংসের দোকানে গত ১৫ জানুয়ারির মূল্য তালিকা টাঙানো হয়েছে- যেখানে গরুর হাড্ডি মাংস ৭৮০ টাকা ও সলিড মাংস চর্বি ১০০গ্রাম ১০০০ হাজার টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
মাত্র এক দোকান পরেই জমজম মিট হাউস-২ নামক দোকানে হাড্ডি মাংস ৮০০ টাকা ও হাড় ছাড়া মাংস ১০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন-প্রশাসনের নজরদারি না থাকার কারণে বেশি ধরে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চাইলেও এক কেজি মানুষ কিনে খেতে পারবে না।
দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে রশিদপুর জমজম মিট হাউস প্রোপ্রাইটার শিমুল আহমদ বলেন, সরকার কিতা আমাদের গরু কিনে দেয় নি, আমরা সরকারি দরে বিক্রি করবো।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম অনিক চৌধুরী বলেন, রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। যারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রির উদ্যোগ থাকলেও দক্ষিণ সুরমার সাধারণ খুচরা বাজারগুলোতে এর কোনো প্রভাব এখনও পরিলক্ষিত হয়নি।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



