সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের পুষ্পস্তবক অর্পণ

  • প্রকাশের সময় : ২১/০২/২০২২ ০৭:৪৯:৩৮
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
9

মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব।

সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১মিনিটে স্থানীয় বড় বাজার শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছেন মডেল প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা শেখ শাহনেওয়াজ ফুল মিয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি জীবন আহমেদ লিটন, সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদ আরজু, কোষাধ্যক্ষ আব্দাল মিয়া ও প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল হক মাসুম।

উল্লেখ্য, একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে দৃপ্ত পথে এগিয়ে যাওয়া। একুশের চেতনায় আমরা এগিয়ে চলেছি, একুশের পথ ধরেই এসেছে বাংলার স্বাধীনতা।

মায়ের ভাষা বাংলা রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজপথে আন্দোলনে নামে বাংলার দামাল ছেলেরা। পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান সালাম-বরকত-রফিক-শফিক-জব্বার আরও কত নাম না-জানা কত শহীদ।

তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফিরে পাই আমাদের প্রাণের ভাষা, মায়ের মুখের বুলি, মধুর ভাষা বাংলা। ভাষা-একটি জাতির যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।

এটি শুধু চিন্তা-চেতনা, মনন ও মনের ভাব প্রকাশের কেবল মাধ্যমই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশ ও জাতির আত্মপরিচয়। হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষা প্রকাশ করে যাচ্ছে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব ও স্বকীয়তা।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই, ১৯৪৭ সালে ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে কোনো মিল না থাকার পরও শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে ১২শ’ মাইল ব্যবধানের দুটি পৃথক ভূখণ্ডকে এক করে পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষের ভাষা ছিল বাংলা।

অন্যদিকে শুধু ৭.২ শতাংশ মানুষ কথা বলত উর্দুতে। সেই উর্দুকেই পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষা করার জন্য জোর পাঁয়তারা শুরু করে।

কিন্তু বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তা হতে দেয়নি। তারা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।


সিলেট প্রতিদিন / এমআরএম


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স