মুনায়েম মুন্না :: আবুল হোসনে একজন চাকরিজীবী। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে ১০টায় অফিসে উপস্থিত হতে হয় তাকে। কিন্তু এখন আর সেই সময় কোথায়? সকালে বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হলে রাস্তায়ই সকাল গড়িয়ে যায়। যানজটে পড়ে পোহাতে হয় নানা দুর্ভোগ। আগে অফিসে যেতে যে রাস্তায় লাগত ৩০ মিনিট। এখন সেখানে লাগছে প্রায় ঘন্টা- সিলেট প্রতিদিনের সাথে আলাপকালে এমনটাই বলছিলেন আবুল হোসেন।
সিলেট শহরের বিভিন্ন রাস্তায় সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তীব্র যানজট লেগে থাকে। অনেক সময় দেখা যায় মুমূর্ষ রোগী হাসপাতালে যাবার পথে যানজটে আটকা পড়ে অবস্থা আরও খারাপের দিকে যায়। আশঙ্কাজনক রোগীদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। এ অবস্থা নগরবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী।
রোববার ( ২০ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্ট ও রাস্তা সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রত্যেক রাস্তার একই দশা। এমন বেহালদশা বাড়াচ্ছে দুর্ভোগ আর কাঁপিয়ে দিচ্ছে সচেতন নগরবাসীকে। নগরীর, বারুতখানা, নাইওরপুল, আম্বরখানা, তালতলা, রিকাবিবাজার, সুবিদবাজার, মদীনা মার্কেট, শিবগঞ্জ, কদমতলী, শাহী ঈদগাহ পয়েন্টে যানজটে পড়ে অসহনীয় দুর্ভোগের চিত্র দেখা প্রায় প্রতিদিন।
এমন যানজটের কারণ জানতে চাইলে এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের এডিসি রায়হানুল বারি জানান, আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। আমাদের মনিটরিং আরও জোরদার করা হয়েছে। তাছাড়া আগে থেকে অনেক লোকবলও বাড়ানো হয়েছে।
প্রযোজনে আরও বাড়ানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।




মুনায়েম মুন্না



