সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ‘সাদাপাথর’ পর্যটন কেন্দ্র ও প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ে বিপুল পরিমাণ পাথর হরিলুট করা হয়েছে। টাকার অংকে যার পরিমাণ হবে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হবে বলে ধারণা স্থানীয়দের। সোমবার (৫ আগষ্ট) সরকার পতনের সুযোগে দুই কেন্দ্র থেকে এসব পাথর লুট করা হয়।
পাথর রক্ষায় বুধবার (৭ আগষ্ট) থেকে জাফলং ও মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) থেকে ভোলাগঞ্জে নজরদারি করছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি ছাত্র-জনতাও লুট রোধে কাজ করছে। এছাড়াও পাথর রক্ষায় করা হয় মাইকিং।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত সোমবার শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সীমান্তঘেঁষা সাদাপাথর ও জাফলং পাথর কোয়ারি থেকে পাথর লুটে নামে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকেও শত শত নৌকায় এসে লোকজন পাথর লুট শুরু করে।
একইভাবে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর কেন্দ্রেও চলে লুট। সেখানে ছাত্র-জনতা লুটেরাদের তাড়িয়ে দেওয়ার পর সেনাসদস্যরা অবস্থান নেন। কিন্তু জাফলংয়ে চলছিল বাধাহীন পাথর লুট। গতকাল থেকে জাফলং এলাকায় সেনাবাহিনী ছাড়াও স্থানীয়রা পাথর লুট রোধে কাজ শুরু করেন। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জাফলং থেকে পাথর চুরি না করতে মাইকিং করেছেন। জিরো পয়েন্ট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে বিএসএফ গুলি ছোড়ে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
দুটি পর্যটন কেন্দ্রই পাথর কোয়ারি এলাকায়। সীমান্তঘেঁষা সাদা পাথর ও জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে স্তূপ আকারে পাথর জমে উঠেছে। সেখানকার পাথরই পর্যটকদের আকর্ষণ করে। জাফলংয়ের বাসিন্দা আলাছ উদ্দিন জানান, দুই দিনে হিসাব ছাড়া পাথর লুট হয়েছে। এখন বন্ধ রয়েছে।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



