ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য এমপি পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি ছোড়া দুই ব্যক্তি দুপুরে তার সঙ্গেই জনসংযোগে অংশ নিয়েছিলেন।
অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট পুলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ এবং ওসমান হাদির জনসংযোগ টিমের কাছ থেকে প্রাপ্ত দুইটি ছবি বিশ্লেষণ করে তা নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে।
দ্য ডিসেন্ট বলছে, বাইক থেকে গুলি ছোঁড়া দুই ব্যক্তি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিল ওয়াপদা মাদরাসা (জামিআ দারুল উলুম মতিঝিল) এলাকায় হাদির সঙ্গে মাস্ক পরা অবস্থায় জনসংযোগে অংশ নিয়েছিলেন।
গুলিকারী দুইজনের মধ্যে একজনের গায়ে কালো পাঞ্জাবি, কালো মাস্ক, গলায় চাদর এবং পরণে আকাশি রঙের প্যান্ট ছিল। অন্যজনের গায়ে কালো ব্লেজার, কালো মাস্ক, চোখে চশমা, পায়ে চামড়া রঙের জুতা ছিল।
হামলাকারী দুই বাইক আরোহীর পোশাকের সাথে জনসংযোগে অংশ নেয়া ওই দুই ব্যক্তির পোশাক মিলে যায়।
জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের সিদ্ধান্তে গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ারে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘তাঁর মাথায় বুলেটের আঘাত আছে। বুকে ও পায়েও আঘাত আছে। ধারণা করা হচ্ছে পায়ের আঘাতটা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে হতে পারে। আমরা ঢাকা মেডিকেলে একটা প্রাথমিক সার্জারি (অস্ত্রোপচার) করেছি। এখন তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘পরিবারের সম্মতিতেই তাঁকে এভারকেয়ারে নেওয়া হচ্ছে। পরিবার প্রথমদিকে সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এভারকেয়ারে নেওয়ার কথা বলেছে। আমরা তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা প্রস্তুত রয়েছে। এখনই তাঁকে সেখানে নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’




প্রতিদিন ডেস্ক



