সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন

নারী দিবসে জেলা নারী মুক্তি কেন্দ্রের মিছিল ও সমাবেশ

  • প্রকাশের সময় : ০৮/০৩/২০২২ ০৮:২২:৪৪
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
8

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্র সিলেট জেলার উদ্যোগে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিকাল ৪টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্র সিলেট জেলার সংগঠক ইশরাত রাহি রিসতার সভাপতিত্বে এবং লক্ষ্মী পালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন সিলেট জেলার সমন্বয়ক কমরেড সুশান্ত সিনহা সুমন, নারীনেত্রী মিতা সিং, তিনু দত্ত প্রমুখ।

মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৮৫৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কাজের সময় ৮ ঘন্টা করা এবং বৈষম্যহীন ন্যায্য মজুরির দাবিতে নারী শ্রমিকদের আন্দোলন এবং ১৯০৮ সালে সুস্থ কর্মপরিবেশ, কাজের সময় এবং যোগ্য মজুরির দাবিতে বস্ত্রশিল্পের নারী শ্রমিকদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতার এক পর্যায়ে কমরেড লেলিনের উপস্থিতিতে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেন হেগেনে অনুষ্ঠিত ২য় আন্তার্জতিক নারী সম্মেলনে ক্লারা জেটকিন ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেন। তারপর থেকে ৮ই মার্চ সারা বিশ্বের দেশে দেশে নারীদের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করলেও সারা বিশ্বের নারীরা আজও বৈষম্য, নিপীড়ন এবং পুরুষতান্ত্রিক ব্যাবস্থার নির্মমতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ। আমাদের দেশে চা-বাগান গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শ্রমসেক্টরে নারীরা প্রতিনিয়ত বৈষম্য ও লাঞ্চনার শিকার হচ্ছে। ২০২১ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৩২১জন নারী। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ৪৭ জনকে। সাম্প্রতিক সময়ে বশেমুরবিপ্রবি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীরা লাঞ্চনা ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছে।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও এই সভ্য সমাজে নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচার পরিবেশ তৈরি হয়নি। বক্তারা বলেন এমন পরিস্থিতিতে নারীমুক্তির প্রশ্নটি একটি শোষণ বৈষম্যহীন সমাজব্যাবস্হা বিনির্মাণের আন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। বক্তারা শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশের নারীসমাজকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।


সিলেট প্রতিদিন / এমআরএম


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স