সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন

বিশ্বনাথে বিএনপি নেতার মামলা: আসামি নিষিদ্ধ আ.লীগসহ জামায়াত-শিবির ও নিজ দলের কর্মীরা!

  • প্রকাশের সময় : ২৪/০৮/২০২৬ ১৩:৩৩:০২
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের ছবি সংগৃহীত
Share
3

সিলেটের বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা দায়েরের ৩দিনের ভেতরে এবার উপজেলা আওয়ামী লীগের ৯২ জন নেতাককর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছেন বিএনপি নেতা।

গত ২০ আগস্ট দিবাগত রাত ১২ টা ৪০ মিনিটের সময় বিশ্বনাথ থানায় এই মামলাটি দায়েল করেন অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি ইরন মিয়া (৫৫)। মামলা নং-(১৭)। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী রাখা হয়েছে আরও ৬০/৭০ জনকে।


গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় আসামীরা রামপাশা ইউনিয়নের বিশ্বনাথ লামাকাজী পাঁকা সড়কে গাড়ীর টায়ারে অগ্নিসংযোগ রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দেশবিরোধী স্লোগান দেয়। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ সরকারী অফিসে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করাসহ অস্থিতিশীলতা তৈরী করে। এতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই  মামলাটি দায়ের করেছেন বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।


তবে এই মামলায় জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাদেরকেও আসামী করা হয়েছে।


তারা হলেন- অলংকারী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক এখলাছ মিয়া 

(৩৬), রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে জামায়াত সমর্থক রেনু মিয়া (৩২) ও খাজাঞ্চি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ছাত্র-শিবিরের সভাপতি রনি মিয়া (৪২)।

ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক এখলাছ মিয়া বলেন, তিনি বিএনপি করেও আ.লীগের সাথে প্রতিহিংসামূলক ভাবে ৬৮নং আসামী করা হয়েছে।


জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, তার দলের কর্মী রেনু মিয়া ও ছাত্র-শিবিরের সভাপতি রনি মিয়াকে এই মামলায় মিথ্যা আসামী করা হয়েছে। তার নেতাকর্মীদের এই মামলায় আসামী করার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদ লিলু মিয়া ও থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমানের সাথে কথা বলেছেন তিনি। তারা দু’জনই আশ্বস্থ করেছেন যে তদন্তের পর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে।


এবিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী ইরন মিয়া বলেন, মামলায় জামায়াত, শিবির ও বিএনপি নেতা আসামী হওয়ার বিষয়ে তিনি জানা তো দূরের কথা মামলার বাদি হিসেবেও কিছুই জানেন না। তবে একটি কাগজে তিনি স্বাক্ষর করেছেন বলে স্বীকার করেন।


মামলায় জামায়াত, শিবির ও বিএনপি নেতাকে আসামী করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান লিটনের কাছে মোবাইল ফোন দিয়ে প্রতিবেদককে কথা বলতে বলেন।


এসময় চেয়ারম্যান বলেন, সংবাদে বক্তব্য দেয়া জরুরী নয়, বাদী বক্তব্য দিতে পারবেন না বলে ফোন রেখে দেন।


সিলেট প্রতিদিন / আরজে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স