আরিফুল হক চৌধুরী। ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমে সিলেট-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু দল তাকে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। দলের প্রতি সম্মান জানিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীও কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় ছুটে যান। সিলেট-১ আসনের ভোটার থেকে সিলেট-৪ আসনের ভোটার হলেন। মাত্র দেড় মাসের মাথায় আরিফুল হক তিন উপজেলার গ্রাম থেকে গ্রাম ছুটে চলেন। সঙ্গ দিয়েছেন তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও নেতাকর্মীরা। ভোটের মাঠে আরিফুল হক আগে থেকেই ম্যাজিকম্যান হিসেবে পরিচিত। আবারও তা প্রমাণ করলেন। সিলেট-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৩টি ভোটকেন্দ্রে বিপুল ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে চমক দেখালেন ম্যাজিকম্যান আরিফুল হক চৌধুরী।
সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীর ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের ৭১ হাজার ৩৯১ভোট পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে পৌনে ২টার দিকে এই তথ্য জানান সিলেট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো.সারওয়ার আলম।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের প্রাপ্ত ভোট ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট। এতে বিএনপির প্রার্থী ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৫ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ী (বেসরকারিভাবে) প্রতিক্রিয়ায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, অল্প সময়ে সিলেট-৪ -এর মানুষজন আমাকে এত বিশ্বাস করেছে, আল্লাহ আমাকে তাদের এই বিশ্বাস ধরে রাখার তাওফিক দিন।পাশাপাশি আমি তিন উপজেলার মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



