শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে রাস্তার কাজ পরিদর্শনে উপসচিব

  • প্রকাশের সময় : ০৭/০৩/২০২২ ০৮:৫৮:৪৮
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
25

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ধলাই সেতু থেকে দয়ারবাজার পর্যন্ত রাস্তার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম।

আজ সোমবার (৭ মার্চ) বিকেলে নিজ গ্রাম কলাবাড়ি থেকে দয়ারবাজার পর্যন্ত রাস্তার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় তিনি কাজের অগ্রগতি ও প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজদ, পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর আলম, কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আলাউদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. তেরা মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য আরাফাত আলী, বর্তমান ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম চেরাগ আলী, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মিলন ও ফখর উদ্দিনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘ প্রতিক্ষিত ভোলাগঞ্জ-কলাবাড়ি-দয়ারবাজার রাস্তা সংস্কারে ১৪ কোটি ৪৬ লাখ ১ হাজার ৬১৪ টাকা বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লীসড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের (১ম সংশোধিত) আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। 

এ প্রসঙ্গে উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে প্রায় সাড়ে চৌদ্দ কোটি টাকা ব্যয়ে ধলাই ব্রিজ টু দয়ারবাজারের পূর্ব পর্যন্ত ৩ কি.মি ৭৫ মিটার আরসিসি রাস্তার কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কলাবাড়ি-দয়ারবাজার রাস্তাটি নির্মাণ ও পাকা করা হয়। এরপর ১৩ বছরেও এই রাস্তার কোনো কাজ করা হয়নি। বর্ষায় কাঁদাজল আর গ্রীষ্মে ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ ছিল জনজীবন। এমন দুর্ভোগ নিত্যসঙ্গী ছিল এ সড়কে চলাচলকারী লোকজনের। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সেই দুর্ভোগের অবসান হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

এ সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে একাধিকবার সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয় স্থানীয় ও জাতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে। এরপর নড়েচড়ে বসে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। তারা উদ্যোগ নেন বেহাল সড়কটি উন্নয়নের।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুসিকান্ত হাজং বলেন, সড়কটি নির্মাণ হলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।


সিলেট প্রতিদিন / ইকে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স