পুতিনকে ঠেকাতে রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।
মঙ্গলবার দেশটির বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ চালালে পরিণতি আরও খারাপ হবে বলে সতর্ক করেছে পশ্চিমা দেশগুলো।
স্নায়ুযুদ্ধের পর আবারও টান টান উত্তেজনায় পূর্ব ইউরোপ। ইউক্রেনের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দনেৎস্ক ও লুহানস্ক-কে স্বাধীন ঘোষণা করায় রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞ দেন বাইডেন। রাশিয়ার ভিইবি ব্যাংক এবং বিভিন্ন রকম প্রতিরক্ষা চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট- সামরিক ব্যাংক ও প্রমসভিয়াজব্যাংক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে। যদিও নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ায় ব্যাংকের কার্যক্রমে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না, দাবি করেছে প্রমসভিয়াজব্যাংক।
রাশিয়ার অভিজাত ৫ ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া পহেলা মার্চের পর থেকে দেশটির সেকেন্ডারি বাজারে শেয়ার লেনদেন করা যাবে না।
কানাডার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কবলেও পড়েছে রাশিয়া। দেশটির সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
রুশ ব্যবসায়ীদের সম্পদ আটকে দেয়ার পাশাপাশি তাদের জাপানে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। এছাড়া জাপানে রাশিয়ার বন্ড ইস্যু নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রাশিয়ার ২৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইইউ। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যাংকে থাকা তহবিল আটকে দেয়া হয়েছে। সেই সাথে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল দুটির সাথে বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে ইইউ। রাশিয়ার পার্লামেন্ট দুমার নিম্নকক্ষের সদস্যদের ওপরও নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া চলছে।
ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের দায়ে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনও।
এর আগে রাশিয়ার ৫টি ব্যাংক ও ৩ ব্যবসায়ীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পার্লামেন্টে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন।




প্রতিদিন ডেস্ক



