সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় এখনো বহাল সিসিক’র সেই মরণ ফাঁদ। গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে একাধিকবার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। যেমন ছিল তেমনই আছে এখনো। বড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও তার ঝুঁকি রয়েছে। যখন তখন তা ঘটতে পারে। তবে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে।
সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজার এলাকার বারুতখানা পয়েন্ট পেরিয়ে গেলেই হাতের বাঁয়ে বিশাল সিলমার্ট কমপ্লেক্স। এই মার্কেট আর পাশের মার্কেটের সংযোগ স্থলেই অবস্থান সেই মরণ ফাঁদের।
সিলেট সিটি করপোরেশন ড্রেনেজ আর ফুটপাত উন্নয়নের কাজ এদিকটায় শেষ হওয়ার বছরখানেক হয়ে যাচ্ছে। ড্রেনটি উন্নত আর আধুনিক হয়েছে। ফুটপাতে লেগেছে টাইলস। তবে ঐ ফাঁদটুকু জীবন্ত রেখে তরা তাদের কাজ করেছেন। সেই কবে যে তাদের কাজ শেষ হয়েছে। এরপর নগরবাসীকে ফাঁদমুক্ত করার বিষয়টা তারা ঝুলিয়েই রেখেছেন।
সিলেট সিটি করপোরেশনের টিকাদার এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা প্রায়ই এটা করে থাকেন। বিভিন্ন এলাকায় এমন আরও অনেক ফাঁদ প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে আসে। তবে কুম্ভকর্ণের নিদ্রা আর ভাঙেনা। মানে, সিসিক কর্তারা সেগুলো ঠিক করার আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ হয়না।
সিলমার্ট কমপ্লেক্সের সামনের ফুটপাতের ফাঁদটিও সে অবস্থায়ই পড়ে আছে। অন্তত ৩/৪ মাস আগে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী এই ফাঁদ থেকে দ্রুত বারুতখানা এলাকাবাসীকে মুক্ত করার আশ্বাস দিলেও এখনো এ ব্যাপারে কোন কাজ হয়নি। ফাঁদটি বহাল তবিয়তেই আছে।
দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায়ই হোঁচট খেয়ে পড়ছেন পথচারীরা। পাশের একজন ব্যবসায়ী বলেন, প্রায়ই ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত সিসিক’র টনক নড়বে বলে মনে হয়না।
সিসিক’র এমনই এক ফাঁদে পড়ে বছর দু’য়েক আগে সিলেটের শক্তিমান কবি বাছিত মোহাম্মদ আহত হয়েছিলেন। এরপর অনেকদিন হাসপাতালের বেডে শুয়ে থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর আহত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার ঘটনাতো প্রায়ই ঘটছে।
সচেতন নগরবাসীর প্রত্যাশা, কুম্ভকর্ণের নিদ্রা দ্রুত ভাঙুক।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



