টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না অগ্নিদ্বগ্ধ উর্মি নামের ৬ বছরের এক স্কুল ছাত্রীর। সে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজান্সি ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের সুজন দাশের মেয়ে বলে জানা গেছে। অসহায় হতদরিদ্র পরিবারটির নিজেদের কোন অর্থবার নেই।
শিশুটির বাবা সুজন দাশ বলেন, দুই মেয়ে ও এক ছেলের নিয়ে তার সংসার। অভাবের সংসারে ছোটছোট শিশুদের নিয়ে চলছে কোন মতে সংসার। তার ওপরে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভাঙা বাসায় মোম এর আগুনে ঝলসে গুরুতর আহত হয় জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীতে পড়োয়া মেয়ে উর্মি। আগুনে ঝলছে যাওয়া ছোট্র শিশুটির চিকিৎসার ঠিকমত ব্যবস্থা হয়ে উঠেনি আজও। দিনদিন ক্ষতস্থান গুলো দগ্ধ ঘাঁয়ে পরিপূর্ণ হয়ে উঠছে, ধরছে পচঁনও। চিকিৎসায় ঔষধ ঠিকমত দিতে না পারায় সিলেট ওসমানি মেডিকেল হাসপাতাল থেকে বাড়ীতে পাঠিয়ে দিছে। বর্তমানে প্রতিদিন ২৮০ টাকা দামের ৪টি মলমসহ ঔষধ ভাবত প্রতিদিন খরছ হচ্ছে ২ থেকে তিন হাজার টাকা। শিশুটির আর্তচিৎকারে প্রতিবেশি অনেকের ঘুম ভেঙ্গে গেলেও, উর্মির চিকিৎসা বেয় মেটাতে বাবা হিসাবে কিছুই করতে পারছি না। চোখের সামনেই আমার মেয়ের কষ্ট ও যন্ত্রনা দেখতে আর পারছি না। সমাজের সকল দ্বয়িত্বশীলরা এগিয়ে আসলে শিশু মেয়েটিকে চিকিৎসা করাতে পারতাম বলে সকল বিত্তবানদের কাছে আহবান জানান।
এ বিষয়ে বিশ^নাথ পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মহব্বত আলী জাহান তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেন, প্রথমদিন খবর পেয়েই যোগাযোগ করি এবং দ্রুত চিকিৎসার জন্য ওসমানি মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলে সুজন দাশ নিয়ে যান, কিন্তু তার মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহের জন্য তার কাছে কোন অর্থ ছিল না। কোনমতে কয়েকদিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে চলে আসে। এখন প্রতিদিন শিশুটির অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। অর্থের যোগানের ব্যবস্থা করতে না পারায় বাড়ীতে রেখে কোন মতে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। আর্ত মানবতার সেবায় সমাজের সকলেই এগিয়ে আসলে অসহায় সুজন দাশের শিশু মেয়েটির চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।
সাহায্য পাটানোর জন্য যোগাযোগ, সুজন দাশ, মোবাইল নাম্বার: বিকাশ- ০১৩১৯-৬৭৭২৭৫।




প্রতিদিন ডেস্ক



