সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৯নং পাইলগাঁও ইউনিয়নে ১৫ বছর ধরে ভাড়া করা দোকানকোটায় চলছে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম।
মামলা ঝুলে আছে ভবন নিমার্ণের কাজ। স্বাধীন বাজারে একটি দোকানে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালাচ্ছেন পরিষদের সদস্যরা।
খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলার স্মৃতিবিজড়িত একমাত্র জমিদার বাড়ী নিয়ে গঠিত পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে ভবন না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন জনসাধারণ।
স্বাধীন বাজারের মার্কেটের ছোট্ট দোকানকোটায় পরিচালিত হচ্ছে অফিসের কার্যক্রম। যেখানে চেয়ারম্যান বা মেম্বারদের বসার কোন সু-ব্যবস্থা নেই। জনসাধারণ একটু বেশি হলে জায়গা হয়না এই দোকানের ভিতরে। কাতিয়া অলইতরী বাজারের পাশে পুরাতন ভবন থাকলেও এ বিষয়ে কোর্টে মামলা থাকায় সেখানে আর পরিষদের কার্যক্রম চালানো হচ্ছেনা। কয়েক বছর আগে স্বাধীন বাজারে ভবন নিমার্ণের রায় এলেও অপর পক্ষ কাতিয়ার লোকজন আপিল করায় ভবন নিমার্ণ করা সম্ভব হয়নি।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে অনেক সময় উত্তেজনা দেখা দেয়। গত বছর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস থেকে অনলাইনে ভবন নিমার্ণের পক্ষে ভোটের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্বাধীন বাজারে ভবন নিমার্ণের পক্ষে ৭০ ভাগ ভোট পড়ে। তার পরও ভবন নিমার্ণ সম্ভব হয়নি।
ইউনিয়নবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভবন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে দোকানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিতে এসে জায়গা কম থাকায় গাদাগাদি করে কাজ করাতে হয়। ভবন সংকটে সঠিক সেবা পাচ্ছেনা বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে পাইলগাঁও ইউনিয়নের টানা দুইবারের চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া জানান, আমরা ভবন নিমার্ণের চেষ্টা করছি। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোর্টের মামলা। মামলা নিস্পত্তি না হওয়ায় ভবন নিমার্ণ করতে পারতেছিনা। কয়েক বছরে দুইবার তদন্ত হয়েছে ভবন নিমার্ণে জন্য। কিন্ত তদন্ত হলেও কোন ফলাফল আসছে না। আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে সেবা দিতে। জায়গা কম থাকায় অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমাদের ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আকুল আবেদন, মামলা নিস্পত্তি করে জনগনের পছন্দের স্থানে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নিমার্ণ করা হউক।




জগন্নাথপুর প্রতিনিধি



