সিলেট নগববাসীর সুপেয় পানির সংকট নিত্যদিনের। এই সংকট নিরসনে সিসিককেও হিমশিম খেতে হয় সব সময়। কদিন পরপরই পানির জন্য অভিযোগ শোনা যায় নগরবাসীর কাছ থেকে।
এরই প্রেক্ষিতে সম্প্রতি সিলেট নগরবাসীর জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ওয়াসা)’ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে নির্দেশ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপি।
এদিকে, নগরবাসীর চাহিদার চেয়ে বেশি পানি সরবরাহে আছে বলে জানিয়েছে সিসিকসুত্র। তাদের দাবী, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকলেও অবৈধভাবে পানির লাইন নেয়ার কারণে এই সংকট দেখা দেয়।
সিসিক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সিসিকে পানির চাহিদা প্রতিদিন প্রায় আট কোটি লিটার। সিসিক ৫ কোটি লিটারের মতো সরবরাহ করতে পারে। ফলে নগরীতে পানির ঘাটতি রয়েই যায়।
কিন্তু এটাকে ঘাটতি হিসেবে বলতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবী, বর্তমানে নগরীতে সবাই পানির গ্রাহক না। তাদের গ্রাহকের চাহিদা সাড়ে ৩ থেকে চার কোটি লিটার। তাদের সরবরাহ আছে ৫ কোটি লিটার। বাকী এক কোটি লিটার পানি অবৈধ সংযোগের কারণে চলে যায়।
নগরবাসীর প্রশ্ন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকলে নগরবাসীকে ক’দিন পর পর পানির জন্য হাহাকার করতে হয় কেনো?
এবিষয়ে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলী আকবর সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, গ্রাহকের চাহিদার চেয়ে প্রায় ১ কোটি লিটার পানি সিসিক সরবরাহ করে থাকে। তবে অবৈধ লাইনের কারণে নগরীতে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। অবৈধ পানির লাইন যারা নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রকৌশলী আলী আকবর বলেন, নগরীতে পানির চাহিদা পুরণে ওয়াসা গঠনের প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



