শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

উৎসবের অপেক্ষায় সিলেটবাসী

  • প্রকাশের সময় : ২৩/০২/২০২২ ০৮:১৩:৫০
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
9

আর মাত্র ক’দিন পরই মহান স্বাধীনতার মাস মার্চ। এই মার্চেই ঘটেছিলো বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। যা বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসকে পাল্টে দিয়েছিলো।

অমর একুশের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা নিবেদনের পর স্বাধীনতার বীর শহীদদের জন্য অনুপম বরণডালা সাজাতে ব্যস্ত জাতি। বরণ করবে নিজের ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা মাসটিকে। অধীর আগ্রহে প্রতিটি বাঙালিমন প্রহর গুণছে।

বাঙ্গালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুত্তিযুদ্ধের সময়ে নানা কারণে মার্চ মাস ঐতিহ্যমন্ডিত। অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস।

উনিশ শত একাত্তরে এই মাসের পঁচিশে মার্চে বর্বর পাকবাহিনী গণহত্যা শুরু করলে গ্রেফতার হবার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

এর আগে জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চ পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “সাতকোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। মরতে যখন শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো- ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”

তাইতো সাতই মার্চ, সতেরোই মার্চ আর ছাব্বিশে মার্চ একসূত্রে গাঁথা। স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে গেছে বাঙালির কাছে-বিশ্ববাসীর কাছে।

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে এসে জাতি দিন তিনটিকে আরও বেশি বর্ণিল করে উদযাপনে উন্মুখ। সারাদেশে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।পিছিয়ে নেই সুুরমাপাড়ের সিলেট। এখানে উৎসব শুরু হবে ১ মার্চ স্বাধীনতার মাস বরণের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। আয়োজন মাসব্যাপী। বুধবার জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রস্তুতিসভায় কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। এতে আরও থাকছে শিশু-কিশোর-তরুণ-যুবক অর্থাৎ নতুন প্রজন্মের জন্যে নানা প্রতিযোগিতার পাশাপাশি গানে, নাটকে, তথ্যচিত্রে, স্মৃতিচারণে, আলোচনায় ও আলোকচিত্রে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা ও বঙ্গবন্ধুকে জানার সুযোগ, লালসবুজের পতাকা কাঁধে মুক্তিযোদ্ধাদের জেলা পরিভ্রমণ, মুক্তির উৎসব ও সুবর্ণজয়ন্তী মেলা ইত্যাদি। ঐতিহ্যবাহী ক্বিনব্রিজ থেকে পুরো মাস বিচ্ছুরিত হবে আলোর ঝর্ণাধারা। এছাড়াও মহানগরীসহ সকল উপজেলা সদরকে বর্ণিল করে সাজানো হবে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সন্দ্বীপ কুমার সিংহ, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা জন্মেজয় দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল ও মহানগর কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মণ রানা, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ এবং মহানগর পুলিশ, জেলা পুলিশ, র‌্যাব ও সিসিক সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের প্রতিনিধিরা।

এছাড়াও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সিদ্দিকী ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি মুহিত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।


সিলেট প্রতিদিন / এমএনআই


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স