মশাহিদ আলী : সিলেটে নতুন বছরের শুরু থেকে একের পর এক ঘটছে হত্যাকাণ্ড। এইসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বিগ্ন সিলেট অঞ্চল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিসংখ্যানে সাম্প্রতিক সময়ের বর্বরতার চিত্র আঁতকে উঠার মতো। পান থেকে চুন খসলেই ঘটছে অঘটন। সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় বর্বরতার সিংহভাগই ঘটছে প্রকাশ্যে। তুচ্ছ কারণে একের পর এক খুনের মতো ঘটনা ঘটছে সিলেট অঞ্চলে।
সম্প্রতি যেসব হত্যাকান্ড ঘটেছে সেগুলোতে দেখা যায়, মায়ের হাতে শিশু, ছেলে হাতে মা। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটছে। এমন হয়েছে সিলেট জেলায় একদিনে দুটি হত্যাকান্ড হয়েছে মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে। হত্যাকান্ড বেড়ে যাওয়া উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিলেটে আলোচিত ৭টি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে খুন:
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে তারিক আহমদ (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুপাড়া রঙ্গাইবিছরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারিক পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রনকেলী নয়াগ্রাম এলাকার তখলিছ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আরও দুই যুবক আহত হয়েছেন। তারা হলেন- একই গ্রামের তছন আলীর ছেলে আবু সুফিয়ান (২০) ও পারভেজ আহমদ (২১)। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় এক পক্ষের ছুরিকাঘাতে তারিক গুরুতর আহত হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত যুবকের ভাই রেজন আহমদ বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় তার ভাইকে ছুরিকাঘাত করা হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পিটিয়ে হত্যা:
শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানা এলাকার কুচাইয়ে সাহাব উদ্দিন (৪৫) নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। নিহত সাহাব উদ্দিন স্থানীয় আব্দুল হামিদ আখল মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে তাদের সৎ ভাইদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে গাছ কাটতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় বেধড়ক পিটুনীতে সাহাব উদ্দিন গুরুতর আহত হলে তাকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের মারামারিতে একজন নিহত হয়েছেন।এ ঘটনায় কামরুল, বদরুল, মালই, মুন্নি, ফাহিমাকে তাৎক্ষণিক পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি দা, রড, কুড়াল এবং লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান চলছে।
তালাবদ্ধ ফার্মেসীতে নারীর ছয় টুকরো খণ্ডিত মরদেহ:
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরে তালাবদ্ধ অভি মেডিক্যাল ফার্মেসি থেকে শাহনাজ পারভীন জোৎস্না (৩৪) খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী ছরুক মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিতেশকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এ ঘটনায় হত্যার মামলায় প্রধান আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বেলা ১২টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এছাড়া অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও অসীত চন্দ্র গোপ (৩৬)। জিতেশ চন্দ্র কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার সইলা গ্রামের যাদব গোপের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
জোৎস্না কিছুদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সমস্যার কথা স্থানীয় ফার্মেসি মালিক জিতেশ চন্দ্র গোপকে জানালে তিনি তাকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন। এরপর ফার্মেসিতে গেলে পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হন জোৎস্না। ধর্ষণের কথা সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে জিতেশসহ তিনজন জোৎস্নাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ফল কাটার ছুরি দিয়ে মরদেহ ছয় টুকরা করে।
১৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে সিআইডির সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এসব তথ্য জানান।
নিজের মেয়েকে বালিশ চেপে হত্যা :
৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার নিজের দেড় বছর বয়সী শিশুকন্যাকে হত্যার পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন নাজমীন আক্তার (২৮) নামে এক নারী। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট শহরতলীর শাহপরাণ নিপোবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম সাবিহা।
পুলিশ জানায়, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কালিকৃষ্ণপুর এলাকার নাজনীনের সঙ্গে একই উপজেলার বলদি ইউনিয়নের সাব্বির আহমদের বিয়ে হয় ২০১৫ সালে। বিয়ের পর থেকে তারা শাহপরাণ নিপোবন এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। নাজনীন একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তার স্বামী সাব্বির কাতারপ্রবাসী। এর আগে নাজনীনের একটি বিয়ে হয়ে ছিল। সেই সংসারেও তার একটি সন্তান রয়েছে।
সিলেট কোতোয়ালি থানায় নাজমীন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিয়ের পর আমার স্বামী বিদেশ চলে যান। চার বছর সেখানে থাকা অবস্থায় তিনি আমার ভরণপোষণ দেয়নি। আমি স্কুলে শিক্ষকতা করে এবং টিউশনি করে চলছিলাম। পরে দেশে ফিরে আমাকে অনেক বুঝিয়ে আবার সংসার শুরু করেন তার স্বামী। তখন আমি গর্ভবতী হই। আমাকে গর্ভবতী অবস্থায় রেখেই তিনি আবার কাতার চলে যান’।
নাজমীন অভিযোগ করে বলেন, ‘বিদেশে গিয়ে সাব্বির অভিযোগ তোলেন- আমার গর্ভের সন্তান তার নয়। আমি তখন ডিএনএ টেস্টের কথা বলি। কিন্তু সাব্বির ও তার পরিবার তা না করে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে থাকে। আল্লাহর কী রহমত! জন্মের পর দেখা গেল মেয়ের চেহারা অবিকল সাব্বিরের মতো। চোখ, ঠোঁট, মাথার চুল, হাসি সব একই রকম’।
তিনি বলেন, ‘সাব্বির ১৫ দিন আগে দেশে এসেছেন। কিন্তু একবারও মেয়েকে দেখতে আসেননি। বরং আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করছেন। এ দুঃখে আমি আমার মেয়েকে হত্যা করেছি’। মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে নাজমীন বলেন, ‘আমি কাউকে ফাঁসাবো না। সাব্বিরকেও ফাঁসাবো না। তাকে ফাঁসালেও তিনি অল্প শাস্তিতে পার পেয়ে যাবেন। তার বিচার আল্লাহ করবেন। আমি আমার মেয়েকে খুন করেছি। আমার ফাঁসি হোক।’
সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, ‘পারিবারিক কলহ থেকেই এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন:
ফেসুবক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ৩১ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে সিলেটের কানাইঘাটে উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের বড়খেওড় এলাকায় প্রকাশ্যে ফরিদ উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ফরিদ উদ্দিনের বাবা মো. রফিকুল হক গত ২ ফেব্রুয়ারি ৭ জনের নামোল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনায় জড়িত ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে করা হয়েছে। সেইসঙ্গে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
গ্রেফতাররা হলেন- নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন, কাওছার আহমদ ও মোস্তাক আহমদ। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে ও শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৯’র অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, নিহত ফরিদ ও গ্রেফতার তিন আসামিরা পরস্পরের আত্মীয়। স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে আগে থেকে চলে আসা বিরোধের জেরে ফরিদকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নির্বাচন পরবর্তী হামলায় যুবক নিহত :
গত ৩১ জানুয়ারি সোমবার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটে সদস্য পদে মো.ছোয়াব আলী ফুটবল প্রতিকে ১১২ ভোট ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমির আলী তালা প্রতিকে সমান সংখক ভোট পান। একই ওয়ার্ডে মাহমুদুল হাসান রাজু আপেল প্রতিকে ১১০ ভোট পান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর আপেল প্রতিকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী মাহমুদুল হাসান রাজু, সুফি আহমদ, ফয়জুল হক, জহুর আলী ও নুরুল আমিনের নেতৃত্বে মোঃ ছোয়াব আলীর বাড়িতে হামলা করা হয়।
এতে মোঃ ছোয়াব আলীর ছেলে মারুফ আহমদসহ পরিবারের ৫/৬ জন গুরুতর আহত হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত মারুফ আহমদকে প্রথমে সিলেটে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।এখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়াতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। সেখানে ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ১টায় মারুফ আহমদ মৃত্যুবরণ করেন।
ছেলের হাতে মা খুন :
গত ২৩ জানুয়ারি (রোববার) জৈন্তাপুরে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে মা আয়নব বিবিকে (৬১) হত্যা করেছে ছেলে আবুল হাসনাত। নিহত আয়নব বিবি (৬১) গ্রামের তজম্মুল আলীর স্ত্রী। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের উত্তর মহাইল গ্রামে ঘটনা ঘটে। ছেলে আবুল হাসনাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রড জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্পত্তি থেকে দুই ছেলেকে বাদ দিয়ে একমাত্র মেয়েকে লিখে দেন তজম্মুল আলী। দীর্ঘদিন থেকে সম্পত্তি নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে আসছিলেন আবুল হাসনাত। এরই জের ধরে রোববার সকালে রড দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন তিনি। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন আয়নব বিবি।
পরে পরিবারে অন্য সদস্যরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদের নেতৃত্ব একদল পুলিশ সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। এ ঘটনায় আবুল হাসনাতকে আটক করা হয়েছে।
সচেতন মহলের দাবি- সামাজিকমূলবোধ হ্রাস পাওয়ায় দিনের পর দিন হত্যাকান্ড অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সাথে আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে এসব ঘটনাবৃদ্ধি পাচ্ছে। পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক এমনকি ব্যক্তিকেন্দ্রীক স্বার্থের বিষয়টিও জড়িত সেহেতু প্রথমেই এই জায়গাগুলোতে নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে তাহলে কিছুটা উন্নতি হবে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র বিএম আশরাফ উল্ল্যা তাহের বলেন, সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাবে আমাদের সামাজে প্রতিনিয়ত এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা থেকে উত্তরণে আমাদের বিট পুলিশিং,কমিউনিটি পুলিশ মাঠে কাজ করছে। প্রতি মাসে মেট্রোপলিটন এলাকায় বিট পুলিশিং সভা করা হয়। সেখানে সমস্যাগুলো তুলে ধরলে এসব ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলে তিনি জানান।




মশাহিদ আলী



