বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শিশু দিবস উদযাপন

  • প্রকাশের সময় : ১৭/০৩/২০২২ ০৮:২৭:২৪
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
26

যথাযথ মর্যাদায় সিলেটের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

শহরতলির বটেশ্বরস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে গতকাল সকালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান লাইব্রেরি হলে কেককাটা, আলোচনা সভা এবং অর্থনীতি বিভাগের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির আহবায়ক এবং ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাহের বিল্লাল খলিফা। ডেপুটি রেজিস্ট্রার মিহির কান্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন। সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক গাজী সাইফুল হাসান। বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নজরুল হক চৌধুরী, আইন অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক শেখ আশরাফুর রহমান প্রমুখ।

অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সাহসী, দৃঢ়চেতা ও আপোষহীন নেতৃত্বে জেগে ওঠেছিল বাঙালি জাতি। যার ফলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ভূখন্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।’

অধ্যাপক ড. নজরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলী বঙ্গবন্ধুর মধ্যে পরিস্ফূটিত হয়। তিনি যে বিশ্বমন্ডলে একজন বড় মাপের নেতা হিসেবে জায়গা করে নেবেন, তখন থেকেই এর আভাস মিলেছিল।’

মুখ্য আলোচক গাজী সাইফুল হাসান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিসত্তাকে বিশ্বদরবারে সুপরিচিত করেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে মানবহৃদয়ের মণিকোঠায় চিরঅ¤øান হয়ে আছেন। যাঁর আত্মত্যাগ আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালির সুদীর্ঘকালের স্বপ্ন ও আশা-আকাক্সক্ষা বাস্তবে রূপ লাভ করে, পরিণতি পায় বাঙালির হাজার বছরের শোষণ-বঞ্চনা আর পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে পৃথিবীর বুকে নতুন ইতিহাস রচনার সংগ্রাম।’ তিনি বলেন, ‘শুধু জন্মবার্ষিকীতে নয়, অনন্তকাল শেখ মুজিবুর রহমান নামটি সকল সংগ্রামে প্রেরণা, শক্তি আর সাহসের প্রতীক হয়ে বাঙালি হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সর্বক্ষেত্রে বাঙালির অগ্রযাত্রায় তাঁর আদর্শের প্রতিফলন আলোকবর্তিকা হিসেবে সঙ্গী হবে, তা দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়।’

এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তাগণ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।



সিলেট প্রতিদিন / ইকে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স