সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আজ বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে জাতির পিতাসহ তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন, বঙ্গবন্ধুর জন্যই পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের মানচিত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি না থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণেই স্বাধীন একটি দেশ পেয়েছি আমরা। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বে বাংলাদেশ পৃথিবীতে সুন্দর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যদিও দুষ্কৃতকারীরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। দলকে সুন্দর ও সুসংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। ভুল ত্রুটি সংশোধন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। সকলের সহযোগিতা নিয়েই আমরা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করবো এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করবো।
তিনি ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান এবং সকল নেতৃবৃন্দের জন্য দোয়া কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) বাদ জোহর হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদের নিচ তলায় মহানগর আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে শিরনী বিতরণ এবং অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। এর আগে সকাল সকাল সাড়ে ৯টায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন।
তিনি বলেন, আজ থেকে ১০২ বছর আগে বাঙলার রাখাল রাজা,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর জন্যই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যে সংগঠনের নেতৃত্বে তিনি বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন এটি হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তানের দোসররা, জিয়া ও মোস্তাকের নেতৃত্বে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। তবে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন রায়নগর বায়তুল বরাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মওলানা ক্বারী আবিদ হাসান রাহমানি। দোয়া মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল নিহত সদস্য ও বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র সুদীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করা হয়। তাছাড়াও সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, মহানগরের সহ-সভাপতি ফয়জুল আনোয়ার আলাওরের সুস্থতাসহ দেশ ও জাতি এবং বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, নুরুল ইসলাম পুতুল, এডভোকেট প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, মো. সানাওর, জগদীশ চন্দ্র দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, আজাদুর রহমান আজাদ, বিধান কুমার সাহা, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তপন মিত্র, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জুবের খান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ হোসেন রবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ, ডা. আরমান আহমদ শিপলু, উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি, সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ।
মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্যবৃন্দ আজম খান এডভোকেট কিশোর কুমার কর, মো. আব্দুল আজিম জুনেল, নুরুন নেছা হেনা, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ,এমরুল হাসান, সুদীপ দে, সৈয়দ কামাল, তাহমিন আহমেদ, রোকসানা পারভীন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জাফর আহমদ চৌধুরী, তৌফিক বক্স লিপন, জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, ইঞ্জি. আতিকুর রহমান সুহেদ, শিপা বেগম শুপা, ইলিয়াছ আহমেদ জুয়েল ।
মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যবৃন্দ আব্দুল মালিক সুজন, এনাম উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যেন্দ্র দাস তালুকদার খোকা বাবু, কানাই দত্ত, মহানগর কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রকিব বাবলু, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ গৌসুল আলম, হায়দার মো. ফারুক, সালউদ্দিন বক্স সালাই, মাহবুবুর রহমান মবু, ফখরুল হাসান, নিজাম উদ্দিন ইরান, তাজ উদ্দিন লিটন, জাহিদুল হোসেন মাসুদ, এডভোকেট মোস্তফা দিলোয়ার আল আজহার, শেখ সুরুজ আলম, মো. বদরুল ইসলাম বদরু, মানিক মিয়া, মাহবুব খান মাসুম, ফজল রাব্বি মাসুম, শেখ সোহেল আহমদ কবির, সেলিম আহমদ সেলিম, মো. ছয়েফ খাঁন, এডভোকেট আরিফ আহমদ, সোয়েব বাসিত প্রমুখ।




প্রতিদিন ডেস্ক



