শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন

ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট, বিপাকে কারা?

  • প্রকাশের সময় : ০৯/০৩/২০২২ ০৭:০৭:৫৭
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
10

তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের। স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও আমদানিকারকরা বাজারে ভোজ্য তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন। তাই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুচরা এবং পাইকারী ব্যবসায়ীরা। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে, তেলের আমদানি এবং মজুদের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

সরকার এক মাসে আগে ভোজ্যতেলের দাম ঠিক করে দিলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। দেশের ইতিহাসে এখন ভোজ্যতেলের দাম সবোর্চ্চ। সেই সাথে বাজারে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

বছরে ভোজ্য তেলের চাহিদা এখন প্রায় ৩০ লাখ টন। এর সিংহভাগই আমদানি করা হয়। পাইকারী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও তেল সরবরাহ করছেন না মিল মালিকরা।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, কোন মিল মালিকই সঠিকভাবে ভোজ্য তেল সরবরাহ দিচ্ছে না। আমরা অনুরোধ করবো বাজারে বাজারে মনিটরিং না করে ডেলিভারি পয়েন্টগুলোতে নজরদারি করা দরকার। তাহলেই সরকার যে দাম নির্ধারিত করে দিয়েছে তা ঠিক হয়ে যাবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রন করছে হাতে গোণা কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, ভোজ্য তেল চার থেকে পাঁচটা কোম্পানি আমদানি করছে। যেহেতু তাদের হাতে পাওয়ার আছে তাই তারা চাইলেই বাজার উঠাতে পারে আবার নামাতেও পারে।

এছাড়া, তেলের চাহিদা মেটাতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর তাগিদ দিচ্ছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বাজার বিশ্লেষক হামিদুর রহমান বলেন, আমদানি যতটুকু কমানো যায় ততই আমাদের জন্য ভালো। সেই কৌশল থেকেই আমরা তেলের উৎপাদন এবং তৈল বীজের উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।

দ্রুত ভোজ্যতলের বাজার স্থিতিশীল না হলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন তারা।


সিলেট প্রতিদিন / এমআরএম


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স