হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সরকারি জায়গা খেকে বালু উত্তোলন করায় শেখ আজমল মিয়া (৩০)নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি ওই এলাকার মৃত বজলু মিয়ার পুত্র।
শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের অন্তর্গত দক্ষিণ যাত্রাপাশা গ্রামে বালু জব্দ ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদ্মাসন সিংহ।
সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ, জায়গা দখল ও বালু উত্তোলন করে আসছিলেন শেখ আজমল মিয়া। এ নিয়ে প্রায় ১ বছর আগে এলাকাবাসীর পক্ষে রুবেল চৌধুরী (৪০) তৎকালীন ইউএনও মাসুদ রানা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিন তদন্তও করা হয়েছিল। এরপর কী কারণে সরকারি জায়গা থেকে ঘরটি উচ্ছেদ হয়নি তা জানা যায়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি শেখ আজমল মিয়া ১নং সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমি থেকে বালু উত্তোলন করছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৭ ফ্রেব্রুয়ারি) সরকারি জায়গা থেকে ঘর উচ্ছেদ ও বালু উত্তোলন বন্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাদশা মিয়া চৌধুরী। এ লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়ে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারা মতে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও বালু জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদ্মাসন সিংহ। ঘরটি উচ্ছেদ ও সরকারি জায়গা থেকে উপজেলা প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধ করায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ জানান, সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ ও বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ ক্ষেত্রে অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।




বানিয়াচং প্রতিনিধি



