জন্মদিনে কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় উদযাপিত হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের জন্মদিন।
১১ ফেব্রুয়ারী (শুক্রবার) রাতে নগরীর দর্শনদেউড়ী এলাকায় শহীদ নুর হোসেন ব্লকের উদ্যোগে কেক কেটে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের জন্মদিন উদযাপন করেন নেতা কর্মীরা।
ছাত্রজীবন থেকে মানুষের কল্যাণে আদর্শবোধ নিয়ে রাজনীতির যে পথ নিয়েছিলেন সেখান থেকে আজ অবদি বিচ্যুত হননি। দলের প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি তার রয়েছে নিঃশর্ত আনুগত্য, তেমনি রয়েছে কর্মী দরদি এক অসাধারণ সংগঠকের হৃদয়৷
শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়েছিল ১৯৮৬ সালে সিলেট শহর স্কুল (বর্তমান সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। . এরপর ১৯৮৭ সালে সিলেট এম.সি কলেজ ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৩ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৭ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১২ইং সালে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
ছাত্ররাজনীতির সুদীর্ঘ সময়ে একজন আদর্শবান ছাত্রনেতা হিসেবে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ছাত্রলীগকে সংগঠিতই করেননি, বিকশিতও করেছিলেন। জনগণের আস্থা, ছাত্রজনতার ভালোবাসায় একটি প্রকৃত দেশপ্রেমিক ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে তৃণমূল বিস্তৃতই করেননি, গণমুখী চরিত্র দিয়েছিলেন।
নিজেদের স্বচ্ছতার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শবান কর্মীনির্ভর সংগঠনে প্রাণের সঞ্চার করেছিলেন। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, বহুজাতিক তেল-গ্যাস কম্পানী “সিমিটা’র” বিরুদ্ধে আন্দোলন, সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা হলের (জাহানারা ইমাম) নামকরন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির পায়তারা প্রতিহত করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল সংগঠনকে নিয়ে আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন এবং নেতৃত্বদেন।
যার ফলশ্রুতিতে বারবার কারাবন্দী হন তিনি।সর্বশেষ ২০০৭ সালে আবারও কারাবরণ করতে হয় তাকে। রাজনীতি ছাড়াও জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অঙ্গনে রয়েছে তার সম্পৃক্ততা এবং পারিবারিক ভাবেও রয়েছে বেশ সুনাম।শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের আরেকটি বড় পরিচয় হল, তিনি এ উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওলিয়ে কামিল আল্লামা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বিশকুটি (রহ.) এর দৌহিত্র।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল কমিটি’র চেয়ারম্যান, সিলেট এপার্টমেন্ট এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ (সারেগ) ও জাস ইন্সটিটিউট এর সভাপতি,এছাড়াও তিনি মুসলিম সাহিত্য সংসদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ সমিতি, ডায়াবেটিক সমিতি’র মত বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন।




প্রতিদিন ডেস্ক



