বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

প্রবাসীদের কল্যাণে আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টকে জয়ী করার আহ্বান

  • প্রকাশের সময় : ১৫/০৩/২০২২ ০৬:৩৮:২০
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
15

অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেলস অ্যাজেন্ট অব বাংলাদেশের ২০২১ থেকে ২০২৩ মেয়াদের কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুধবার, ১৬ মার্চ।

নগরীর জিন্দাবাজারের গ্যালারিয়া শপিং সেন্টারের আটাব সিলেট অঞ্চলের অফিসে এ অঞ্চলের ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে আছেন এসএন মঞ্জুর মোরশেদ ( মাহবুব) ও  আটাব সিলেট অঞ্চলের সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল।

এদিকে মঙ্গলবার সারাদিন শেষ মুহুর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন দুটি প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকরা।

আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যপরিষদের অন্যতম প্যানেল সদস্য ও মেসার্স সোহাগ ট্রেড অ্যান্ড ট্যুরসের  স্বত্ত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন কয়েছ গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে প্রতিপক্ষের মারাত্মক সব দুর্বলতা ও দুর্ণীতির বিষয় তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেছেন, আটাবের একটি মহল সিন্ডিকেট করে টিকিটের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে নিয়ে গিয়েছেন। যেখানে ৩০/৪০ হাজার টাকার টিকেট লাখ টাকায়ও পাওয়া যায়না। তাদের এজাতীয় অবৈধ কাজের খেসারত দিতে হচ্ছে সিলেটের রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের। তারা বাংলাদেশে এসে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারছেন না অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে। আটাবের এক শ্রেণীর দুর্ণীতিবাজ মাত্র ২০/২৫ ট্রাভেল অ্যাজেন্ট মিলে সিন্ডিকেট করে প্রবাসীদের পকেট কাটছেন। তাদের দুর্ণীতির খবর খবর প্রচার হয়েছে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে। এমনকি অনলাইন পত্রিকা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট পত্রিকাও তাদের এসব দুর্ণীতি নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা আমাদের প্রবাসী ভাইবোনেরা কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিতে মূল্যবান অবদান রাখার পর দেশে ফিরে এভাবে সিন্ডিকেটবাজীর খপ্পরে পড়েন। আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে হলে তারা লাখ টাকায়ও টিকিট পাননা। শেষ পর্যন্ত আবারও স্ত্রীর গহনা বা জায়গাজমি বিক্রি করে তাদের ফিরতে হয়। এসব নির্যাতন অনিয়ম ও দুর্ণীতি প্রতিরোধে আগামী ১৬ মার্চের নির্বাচনে সারাদেশে আটাবের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে হবে। ভোট দিতে হবে সৎ ত্যাগী নেতৃত্বকে। আব্দুল জব্বার জলিলের ত্যাগ অভিজ্ঞতা আর সততার কথা জানেন সারাদেশের মানুষ।

তিনি আটাবের সভাপতি যখন ছিলেন, তখন ব্যবসায়ীরা সততার সাথে কাজ করেছেন এবং সিলেটের প্রবাসীরা হয়রানীমুক্ত অবস্থায় ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে গেছেন। তখন সিন্ডিকেটবাজী করে টিকিটের দাম কেউ বাড়ানোর সাহস দেখাতে পারেন নি।

আব্দুল জলিল জব্বার সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এই মানুষটা আমাদের অহঙ্কার। বিভিন্ন সংকটে তিনি ব্যবসায়ীদের পাশে থাকেন। করোনাকালে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে যেমন বিনামূল্যে অক্সিজেন প্রদান করেছেন তেমনি দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। এমনকি আটবাবের কোন দায়িত্বে না থাকলেও তখন তিনি সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সহায়তা দিয়েছেন। এবারও আমাদের প্যানেল নিয়ে তিনি অগ্রসর হচ্ছেন। আমরা সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী।

সিলেটের সাধারণ মানুষ, ট্রাভেল ব্যবসায়ী এবং প্রবাসীদের হয়রানীর প্রতিবাদে ১৬ মার্চ ভোটাররা আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টকে পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচিত করবেন বলে তিনি তার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে ১ থেকে ২৯ এবং সিলেট আঞ্চলিক ১ থেকে ৬ নম্বরে ব্যালটে পূর্ণ প্যানেলে ভোট দিন।

কয়েছ আটাব সদস্যদের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং অসুস্থদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন।  

যারা বিভিন্ন সময়ে আটাবের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত ও কামনা করেন।



সিলেট প্রতিদিন / ইকে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স