সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এখন নিজের বাড়ি হাফিজ কমপ্লেক্সে।
আজ সোমবার ( ১৪ মার্চ ) রাত ৯টার দিকে তাকে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
সাবেক অর্থমন্ত্রী অসুস্থতা এবং করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর জন্মভূমি সিলেটে আসতে পারেন নি। এজন্য তিনি বেশ উদগ্রীব ছিলেন বলে নিজেই বলতেন তার কাছের মানুষদের। বিশেষ করে সিলেট থেকে যারা তাঁর সাথে দেখা করতে যেতেন, তাদের প্রায় সবাইকেই তিনি জানাতেন, আমি সিলেট যেতে চাই।
অবশেষে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সিলেটের মাটিতে পৌঁছেছেন ভাষা সৈনিক এবং দেশবরেণ্য এ বুদ্ধিজীবী। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান সিলেটের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ তাঁতীলীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বিমানবন্দরে সমবেত সবার সাথেই তিনি কুশল বিনিময় করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শরা।
রাত ৯টার দিকে সাবেক এ অর্থমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর বাড়ি নগরীর ধোপাদীঘির পাড়ের হাফিজ কমপ্লেক্সে। সাধারণত নীরব থাকা বাড়িটি হঠাৎ সরব হয়ে উঠে আবুল মাল আব্দুল মুহিতের আগমনে। তাছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে যেতে পারেন নি, তারা এবং সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভক্ত অনুরাগীরা তাকে একনজর দেখতে সেখানে আগে থেকেই জড়ো হয়ে ছিলেন।
গাড়ি থেকে তাঁকে ধরাধরি করে হুইল চেয়ারে বসানো হয়। তখন একটি চ্যানেলের সাথে আলাপকালে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ চৌধুরী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন পর সিলেট এসে পৌঁছাতে পেরেছেন। আমরা আনন্দিত। সিলেটবাসী তাঁর মতো একজন ক্ষণজন্মা মানুষ পেয়েছেন। তিনি তাঁর মেধা ও প্রতিভা ব্যবহার করে সিলেটবাসীকে আলোকিত করেছেন।
তিনি বলেন, সেখানে উপস্থিত সবার সাথেই কথা বলেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী।
সিলেট জেলা ক্রিড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম বলেন, তিনি আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। দীর্ঘদিন পর তাঁর অবদানে আজ সিলেট আলোকিত। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
পরে সাবেক অর্থমন্ত্রীর হুইল চেয়ারসহ তাকে উপরের বসার ঘরে বসানো হয়। তিনি সেখানে কিছু সময় অবস্থান করতে চান। কিছু সময় সেখানে অবস্থানের পর তাকে বিশ্রামের জন্য তার বেডরুমে নিয়ে যাওয়া হয়।




প্রতিদিন প্রতিবেদক



