মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

'হাসিনা সরকার যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে'

  • প্রকাশের সময় : ১০/০৩/২০২২ ০৯:২৩:৩৫
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
21

অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, মহান জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি বলেছেন, বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এক সময় রাস্তাঘাট খুবই নাজুক ছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শি নেতৃত্বে দেশের রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। শহর থেকে গ্রাম সবখানে পাকা রাস্তা হয়েছে। এখন আর কাঁচা রাস্তা নেই বললেই চলে। শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের সরকারের আমলে এই রাস্তায় মানুষ ও যান চলাচলের উপযোগী ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর  দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। হাজার হাজার পর্যটক এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছেন। রাস্তার উপর লাইট থাকায় রাতে যাতায়াত করলে চমৎকার লাগে।

তিনি দেশের এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল থাকতে সবার প্রতি আহবান জানান।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-শমশেরনগর-কুলাউড়া জেলা মহাসড়কের ১৩টি কালভার্ট ও ১টি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান ভানুলাল রায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, সওজ মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়াউদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম. মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ, জেলা পরিষদ সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান নিয়াজ মোর্শেদ রাজু, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম অর রশীদ তালুকদার, ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির, সহকারী প্রকৌশলী জহির আহমেদ, আরিফ হোসেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ জামিল ইকবালের প্রজেক্ট ম্যানেজার আকাইদ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। 

জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের (সিলেট জোন) আওতায় ও সড়ক বিভাগ মৌলভীবাজার এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে।

নির্মাণাধীন ১৩টি কালভার্ট, ১টি গার্ডার ব্রিজ ও ৩ কিলোমিটার আরসিসি ঢালাই নির্মাণ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ কোটি টাকা।


সিলেট প্রতিদিন / ইকে


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স