নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। রোববার (২০ মার্চ) ২০২০-২১ সেশনে ভর্তি হওয়া স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হবে।
ইতোমধ্যে নবীনবরণ আয়োজনে সব ধরণের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে নবীনদের বরণ করতে প্রস্তুত রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক ত্রাণ ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, ক্যাম্পাসে ছোট ভাই-বোনরা আসতেছে। করোনার জন্য ভর্তি কার্যক্রমে একটু সময় লাগলেও নবীনদের পদচারণায় মুখরিত হতে যাচ্ছে ক্যাম্পাস। নবীনদের যেকোনো প্রয়োজনীয়তায় ছাত্রলীগ যেমন সব সময় পাশে ছিল এবারো পাশে থাকবে।
সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক সজিবুর রহমান সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষার সময় হেল্পডেস্কে পানি, স্যানিটাইজার, মাস্ক ও বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ভর্তিযোদ্ধাদের পাশে ছিল ছাত্রলীগ। ভর্তি পরীক্ষার্থীরা এখন এই ক্যাম্পাসের ই সদস্য। এই নবীনদের বরণ করতে ছাত্রলীগ প্রস্তুত। নবীনদের যেকোনো সহায়তায় ছাত্রলীগ পাশে থাকবে।
এদিকে হঠাৎ সিলেটে এসে পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে এবং রাস্তাঘাটে ছিনতাই ও বিপদ আপদ থেকে নবীনদের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ সদস্য আশ্রাফ কামাল আরিফ। আরিফ সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, শিক্ষার্থীরাই ক্যাম্পাসের প্রাণ। নবীনরা ক্যাম্পাসে আসছে এটা আনন্দের। জুনিয়রদের যেন কেউ হয়রানী না করে সে দিকে সবার লক্ষ্য রাখতে হবে। ছাত্রলীগ আগে যেমন শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল ঠিক এবারো পাশে থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে মামুন শাহ, মেহেদী হাসান স্বাধীন, সুমন সরকার ও ফারহান রুবেল ও নবীনদের বরণে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানায়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, রবিবার দুই পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থীর নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'এ' ইউনিট ও দুপুর দুইটায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'বি' ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বরণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এতে মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে স্থাপিত নিজ নিজ বিভাগের বুথ থেকে আইডি কার্ড, ডায়েরি, ক্লাস রুটিনসহ প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে হবে। তবে কোন কারনে নবীনবরণে উপস্থিত না থাকতে পারলে পরবর্তীতে নিজ নিজ বিভাগীয় অফিস থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে।




শাবিপ্রবি প্রতিনিধি



