সিলেট জেলা গাউসিয়া কমিটির জশনে জুলুস
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:১৪ অপরাহ্ন

প্রতিদিন ডেস্ক

প্রকাশ ২০২১-১০-২০ ০৬:১২:০৩
সিলেট জেলা গাউসিয়া কমিটির জশনে জুলুস

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষ্যে ১২ই রবিউল আউয়াল (২০অক্টোবর ) গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সিলেট জেলার উদ্যোগে বুধবার সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল (র.) এর দরগাহ প্রাঙ্গণ থেকে জশনে জুলুস বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর হযরত শাহজালাল (র.) মাজার প্রাঙ্গন থেকে বের হয়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জালালাবাদ থানার মইয়ারচরস্থ মাদরাসা-এ-তৈয়বিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে জুলুসোত্তর আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে খতমে গাউসিয়া ও মিলাদ শরীফ শেষে  বাংলাদেশসহ সমস্ত মুসলিম উম্মার শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায়  করে মোনাজাত করা হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন- অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে রাসুল (দ.) এর আর্দশিক চেতনার বিকল্প নেই। যেখানে অশান্তি, জঙ্গিবাদ উপস্থিত তার বিপরীতে প্রিয় হাবিবের দর্শনই যথেষ্ট। সর্বত্র রাসুলের (দ.) দর্শন থেকে দূরে থাকার কারণে মানুষ পথভ্রষ্ট হচ্ছে। রাসুল (দ.)এর অনুসরণই সকল সমস্যার সমাধান নিহীত। জুলুছের যৌক্তিকতা তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আমরা যদি রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির সম্মানে জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দ.) পালন করি তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও নিয়ামত প্রাপ্ত হবো।

বক্তারা আরো বলেন, প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) বিশ্ব মানবতার জন্য আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ করুণা ও অনুগ্রহ। মহানবীর আগমন ছিল সকল সৃষ্টির জন্য রহমত, বরকত ও মহা আনন্দের। তিনি সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় তথা সার্বিক দিক থেকে অধঃপতনের চরম সীমায় নিমজ্জিত সমাজকে খোদায়ী নির্দেশনার আলোকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দিয়েছিলেন। গোটা মানব সমাজকে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার মহান আদর্শে উজ্জীবিত করেছিলেন। তিনি ইনসাফভিত্তিক শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে অনুসরনীয় নজীর স্থাপন করেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের যথাযথ অধিকার নিশ্চিত করে গেছেন।

তাঁর জীবনের প্রতিটি দিকই তাই সকলের জন্য অনুসরণীয়। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে তিনি সারা দুনিয়ার জন্য শ্রেষ্ঠতম আদশ।

গাউসিয়া কমিটি সিলেট জেলার আহবায়ক মো. মুক্তার মিয়ার সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ জালালুদ্দিন আল ক্বাদেরী ও এস.এ.এম শহিদুল ইসলাম সেলিম পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন-  সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওয়ালী মাহমুদ খান, মোল্লারগাও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মকন মিয়া, দরগাহে হযরত শাহজালাল (রা.) মুতাওয়াল্লী শামিউল মাহমুদ খান, সাবেক চেয়ারম্যান কছির উদ্দিন, মো. ইলিয়াছ আলী মেম্বার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র সেনার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল হক চিশতী, ফজিলাতুন্নেছা মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, গাউসিয়া কমিটি সিলেট জেলার হুশিয়ার আলী, গিয়াস উদ্দিন, মাওলানা আনোয়ার হোসেন আনসারী, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা আজিজুর রহমান,  মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা মাসুদ আহমদ চৌধুরী, মাওলানা আবু গফুর সিদ্দিকী, মাওলানা আব্দুল মালেক।

অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক ছাত্র সাইফুর ইসলাম, আলী আহমদ, তুহিনুর রহমান শাহাজান, তাহেরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি সিলেটের সভাপতি মুহা. মাহবুব আলী চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ সভাপতি মুহা. সাইফুর রহমান, মুহা. ইমাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মুহা. রাকিবুল হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহা. শাহেদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহা. আব্দুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মুহা. আলী আজগর চৌধুরী, সহ অর্থ সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম জুবায়ের, প্রচার সম্পাদক মুহা. লায়েক আহমদ, সহ প্রচার সম্পাদক আশিকুর রহমান রায়হান, আফদ্বল আহমদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহা. ইদ্রিছ আলী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. নাঈম উদ্দিন, সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান রুবেল প্রমুখ।

সিলেট প্রতিদিন/এমআরএম

ফেসবুক পেইজ