রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১২:৪০ অপরাহ্ন

শান্তিগঞ্জে চেয়ারম্যান হতে গিয়ে জামানত হারালেন দোলন

  • প্রকাশের সময় : ০৬/০৬/২০২৪ ০৫:৫৮:০৭
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
95

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হতে গিয়ে জামানত হারিয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এডভোকেট বুরহান উদ্দিন দোলন।


জামানত ফিরে পেতে কাস্টিং ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ বা ১২.৫ শতাংশ অর্থাৎ ৮ হাজার ১২৫ ভোট পাওয়ার কথা থাকলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৯৮ ভোট।


বুধবার চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে বিষয়টি জানা গেছে।


শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ঝিলমিল অডিটোরিয়াম স্থাপিত কন্ট্রোল রুমে উপজেলার ৫৬টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুকান্ত সাহা।


ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, শান্তিগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের পুত্র সাদাত মান্নান অভি বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৫৫ ভোট। এবং ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট বুরহান উদ্দিন দোলন ৪ হাজার ৯৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান।


নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য একজন প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুকূলে ১ লাখ টাকা জমা দিতে হয়। আর ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য ৭৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। নির্বাচনে কোনো নির্বাচনী এলাকার প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ বা  ১২.৫ শতাংশ ভোট যদি কোনো প্রার্থী না পান, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই বিধি অনুযায়ী এডভোকেট বুরহান উদ্দিন দোলনকে জামানত রক্ষার জন্য পেতে হতো ন্যূনতম ৮ হাজার ১২৫ ভোট। তা না পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া অর্থ খোয়াতে হচ্ছে তাকে।


সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুকান্ত সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জামানত হারানোয় বুরহান উদ্দিন দোলন চেয়ারম্যান পদের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুকূলে রাখা ১ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত হবে।


সিলেট প্রতিদিন / এমএনআই


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স
© All rights reserved © সিলেট প্রতিদিন ২৪
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি