শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৮ অপরাহ্ন

অভিনব কায়দায় লাঠিটিলার কয়েক লক্ষাধিক টাকার গাছ চুরি

  • প্রকাশের সময় : ২৪/০২/২০২৪ ০৮:২১:৪৭
এই শীতে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের
Share
33

জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বন থেকে কয়েক লাখ টাকার প্রায় ১৫টি সেগুন গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া আরও ৩০টির বেশি গাছের গোড়ায় রিং করে কেটে রাখা হয়েছে পরে নিয়ে যাওয়ার সুবিধার জন্য। বনের কমলছড়া, গলাচিপা ও দশের টিলা নামক স্থানেও এ ঘটনা ঘটেছে।


সংরক্ষিত বনের এসব মূল্যবান গাছ চুরির প্রায় এক মাস পরেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ।


জানা যায়, সিলেট বন বিভাগের জুড়ী রেঞ্জের আওতাধীন লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের গাছ নিধনে নতুন কৌশল’ বেছে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। নতুন এ পন্থার নাম ‘রিং’ কৌশল। এ কৌশলে প্রথমে গাছের গুঁড়া রিং করে কেটে রাখা হয়। ফলে ধীরে ধীরে গাছটি শুকিয়ে মারা যায়। গাছটি মারা গেলে কেটে নেওয়া সহজ হয়। এ প্রক্রিয়ায় সম্প্রতি লাঠিটিলা সংরক্ষিত বন থেকে প্রায় ১৫টি বড় আকারের সেগুন গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।


সরেজমিন দেখা যায়, বনের লালছড়া ও জরিছড়া ফাঁড়ি এলাকার গলাচিপা ও দশের টিলা নামক স্থানের কয়েকটি টিলা ভূমিতে ছোট-বড় প্রায় ৩০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের গোড়া রিং করে কেটে কাটা স্থান কৌশলে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কয়েকটি কাটা গাছের গুঁড়া আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি গাছের গুঁড়া মাটি থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে।


লাঠিটিলা বন বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, সংরক্ষিত বনের যে স্থান থেকে গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে, রেঞ্জারসহ বন বিভাগের লোকজন সেই স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে।


মাস পেরিয়ে গেলেও এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি– এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো এসব নিয়ে লিখলে মামলার ভয় দেখান ওই কর্মকর্তা।


এ বিষয়ে জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন জানান, বন পরিদর্শন করে কিছু গাছের গুঁড়ি এবং নতুন করে কয়েকটি গাছের গোড়ায় রিং কাটার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। 


সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির জানান, সংরক্ষিত বনের গাছ কাটার ব্যপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সিলেট প্রতিদিন / এমএ


Local Ad Space
কমেন্ট বক্স
© All rights reserved © সিলেট প্রতিদিন ২৪
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি