ঢাকায় থেকেও ওসমানীনগরে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সেবুল
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি

প্রকাশ ২০২১-১১-২৫ ০৫:১৯:৩৬
ঢাকায় থেকেও ওসমানীনগরে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সেবুল

সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের নোয়ারই গ্রামের মৃত তৈয়ব উল্যার পুত্র সেবুল মিয়া। বড় ভাই সাবুল মিয়ার সাথে ব্যবসা করেন রাজধানী ঢাকার কাসিমপুর এলাকায়। মাঝে মধ্যে জরুরী প্রয়েজনে বাড়িতে আসলেও ব্যবসায়িক জামেলা থাকায় দীর্ঘ ৫ মাস ধরে আসতে পারেনি গ্রামের বাড়ি নোয়ারাইস্থ নিজ বাড়িতে। দীর্ঘ ৫ মাস গ্রামের বাড়িতে না আসলেও প্রবাসী চাচাত ভাইয়ের বাড়ির কেয়ারটেকার (মহিলা) স্বপ্না বেগমের ওসমানীনগর থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে সেবুল মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। 

৫/৬ দিন পূর্বে নিজ বাড়িতে থাকা বসতঘর মেরামতের জন্য সেবুলের বড় ভাই সাবুল মিয়া ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে টিনসেট ঘর বানানোর উদ্যোগ নেন। এতেই বাদ সাদে চাচাত ভাই প্রবাসী হাবিব মিয়া ও আশিক মিয়ার বাড়ির কেয়ারটেটকার (পুরুষ) আবুল মিয়ার। লন্ডনী বাড়ির পাশে টিনের ঘর দেখতে কেমন লাগবে এই ভেবে আবুল মিয়ার সাথে কথা কাটাকটি হয় সাবুল মিয়ার।পরদিনই সাবুল মিয়া দেখেন তার বাড়িতে পুলিশ।থানা পুলিশ জানিয়েছে,সপ্না বেগমের লিখিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে অসছেন তারা। পুলিশের সাথে কথা বলেই হতবাক সাবুল মিয়া। নিজের বাড়িতে ঘর বানাবেন তার চাচাত ভাইদের কোন অসুবিধা না থকলেও কেয়ারটাকারের এমন মিথ্যা অভিযোগে মর্মাহত তারা। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের উর্ধ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভোক্তভোগী পরিবার। 

সাবুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দির্ঘ দিন থেকে আমি ও আমার ছোট ভাই ঢাকায় থাকি। আমার ছোট ভাই সেবুল ৫ মাসের উপরে বাড়িতে আসেনি,কিন্তু স্বপ্না বেগমের দায়েরকৃত অভিযোগে আমার ভাইকে ও ভাইয়ের বৌকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।(২৪ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার পুলিশ বাড়িতে আসার পর এমন মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি।আমি বাড়িতে আসার পর কেয়ারটেকার আবুল মিয়া নিন্মমানের ঘর বানতে বাধা দেন। আমরা গরিব মানুষ আমাদের তো আর তেমন টাকা পয়সা নেই,যে আমার বিশাল অট্টালিকা তৈরী করতে পারবো,তাই বাঁশ টিনের ঘর বানাতে চাচ্ছিলাম। কোয়ারটেকারের সাথে ২১ নভেম্বর আমার সামান্ন কথাকাটাকাটি হয়েছে কিন্তু তারা থানায় হামলা,হুমকিসহ নানা অভিযোগে অভিযোগ দায়ের করে আমাদের নিরিহ পরিবারকে হয়রানী করে করছে। বিষয়টি সুষ্ট তদন্তের জন্য আমরা থানা পুলিশের কাছে বলেছি। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় ব্যাক্তিরা জানান,সেখানে তেমন কিছু হয়নি। শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। আমরা স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলাম কিন্ত প্রবাসীর কেয়ারটেকার থানায় ঘটনার সাথে মিল না রেখে থানায় সাজানো অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য তছন মিয়া বলেন,ঘটনাটি নিয়ে আমরা পুলিশের সাথে কথা বলেছি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে সামাধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।অভিযুগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এ এস আই কবির আহমদ বলেন,লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কয়েকজন বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তির জন্য দুই দিন সময় চেয়েছেন নিস্পত্তি না হলে আইগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

সিলেট প্রতিদিন/ইকে

ফেসবুক পেইজ