বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনালে বাংলাদেশ

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক:: সর্বোচ্চ রান তাড়া করে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল উইন্ডিজ। ঐ জয়ে সবার আগে ফাইনালে নাম লিখিয়েছিল উইন্ডিজ। সেই দলকে হারিয়ে তিন জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। মালাহিদে টাইগারদের জয় ৫ উইকেটের বিনিময়ে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনালে উঠেছে টাইগাররা।

ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা উইন্ডিজ উদ্বোধনী জুটিকে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। স্লিপে সৌম্যর দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন সুনিল অ্যামব্রিস। অধিনায়কের বলে ক্যাচ ড্রপ দেওয়া মিরাজ এলবির ফাঁদে ফেলেন ড্যারেন ব্রাভোকে। ৫ রানে জীবন পাওয়া ব্রাভো ফিরেন ব্যক্তিগত ৬ রানে।

তৃতীয় উইকেটে শ্লথ ব্যাটিং করেন চেস ও হোপ। সিঙ্গেলের উপর নিজেদের ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন দুই ব্যাটসম্যান। এই সময় উইন্ডিজকে চেপে ধরেন সাকিব ও মুস্তাফিজ সাথে যোগ দেন মিরাজও। টানা ডটবল দিতে থাকেন বোলাররা। এই সময়ে রানের জন্য হাঁসফাঁস করতে থাকেন ব্যাটসম্যানরা। ১৯ রানে রোস্টন চেজ ফিরেন মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ দিয়ে। চতুর্থ উইকেটে শাই হোপের সাথে যোগ দেন কার্টার। দ্রুতই ফিরে যান এই ব্যাটসম্যান।

এই সময়ে টানা ১০৩টি ডটবল দেয় উইন্ডিজ। টানা ডটবলের প্রভাব পড়ে ব্যাটিংয়ে। উইন্ডিজের ২৪৭ রানের ভিত্তি গড়ে উঠে পঞ্চম উইকেটে ১০০ রানের জুটি। জেসন হোল্ডার ও শাই হোপ যোগ করেন এই রান। দু’জনেই দেখা পান অর্ধশতকের। বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা চতুর্থ শতক হাতছাড়া করেন হোপ ৮৭ রানে মাশরাফীর বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে। আর অধিনায়ক হোল্ডার ফিরেন হোপের মতো একই কায়দায় ৬২ রানে।

১৯৯ রানে হোপ এবং ২০৭ রানে হোল্ডারকে মাশরাফী ফেরালে রানের লাগাম ধরে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ ৭ ওভারে দলটি সংগ্রহ করে মাত্র ৪০ রান উইকেট হারায় ৩টি। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে উইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৪৭ রান।

বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ ৪টি, মাশরাফী ৩টি এবং একটি করে উইকেট লাভ করেন সাকিব ও মিরাজ।

ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্যে সাবধানী শুরু করেন তামিম-সৌম্য। শুরু থেকেই নিজেকে গুটিয়ে রাখেন তামিম। খোলস ছেড়ে যখন বেড়িয়েছেন তখইন বাঁধে বিপত্তি। নার্সের বলে ডাউন দ্যা উইকেটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ব্যক্তিগত ২১ রানে। সৌম্যর সাথে ৫৪ রানের জুটি ভাঙে এখানেই।

ওয়ান ডাউনে সহজাত সাকিবের দেখা মিলে এদিন। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৯ রানে ফিরেন সেই নার্সের বলেই। নার্স যখন বাংলাদেশের কাটা তখন ব্যাট হাতে ফিফটি তুলেন সৌম্য সরকার। ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি (৫৪) অবশ্য বড় করতে পারেননি।

দলীয় ১০৭ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর মিথুন-মুশফিক যোগ করেন ৮৩ রান। এই জুটিতেই গড়ে জয়ের ভিত্তি। ৪৩ রানে মিথুন ফিরে গেলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান মুশফিকুর রহিম ৬৩ রানের ইনিংস। আর জয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন মাহমুদউল্লাহ ৩০* ও সাব্বির রহমান* কোন বল মোকাবিলা না করে।

সিলেট প্রতিদিন/এসএম

নিউজটি শেয়ার করুন






© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24